স্পোর্টস রিপোর্টার
এশিয়ান ব্যাডমিন্টন কনফেডারেশন বাংলাদেশকে তিন মাসের জন্য কোচ দিয়েছিল প্রশিক্ষণের জন্য। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ান কোচ অরবন্দি ভার্মাকে বাংলাদেশে পাঠায়। গত মাসে ইউনেক্স সানরাইজ বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ টুর্নামেন্টের কয়েক দিন আগে কোচ মালয়েশিয়ান কোচ টুর্নামেন্টে বাংলার শাটলারদের প্রশিক্ষণ দেন। তখনই খেলোয়াড়দের টেকনিক দেখে ১৩ খেলোয়াড়কে ডেকে ছিল। কিন্তু দুই তিনজন ছাড়া বাদবাকি কেউ সাড়া দেয়নি। নানা কারণ দেখিয়ে প্রশিক্ষণে আসেননি। অথচ শাটলাররা সব সময় দাবি করে আসছেন বিদেশি কোচ নেই, দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। গতকাল থেকে জাতীয় দলের ১৩ খেলোয়াড় নিয়ে প্রশিক্ষণ উডেন ফ্লোর জিমনেসিয়ামে প্রশিক্ষণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও উর্মি, শাপলা আক্তার, ঝুমার আমিন এবং মোহাম্মদ শুভ এসেছেন। এর মধ্যে মিনহাজ নিজের তাগিদে ঢুকেছেন। ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন বাহার সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, কিছু কিছু খেলোয়াড় অজুহাত দিয়েছেন তাদের হাতে ব্যথা, কারো মায়ের অসুস্থতা, কারো পরীক্ষা, আমি যোগাযোগ করেছি। আশাকরি সপ্তাহখানেকের মধ্যে সবাই ক্যাম্পে চলে আসবে।’
জাতীয় দলের শক্তি যাদের উপর নির্ভর করে তারা আসেননি। গুঞ্জন রয়েছে যারা আসেননি তারা এখন বিভিন্ন অঞ্চলে খ্যাপ খেলে বেড়াচ্ছেন। ব্যাডমিন্টনের এখন ভরা মৌসুম। খ্যাপ খেললে টাকা বেশি। মালয়েশিয়ান কোচ অরবিন্দ খুব হতাশ। শিক্ষক আছেন, শিক্ষার্থীরা আসেননি। এই কোচ ফেব্রুয়ারিতে চলে যাবেন।
