দেশের অন্যতম মরিচ উত্পাদনকারী এলাকা পশ্চিমের ছয় জেলায় বৈরি আবহাওয়ার কারণে উত্পাদন ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে। যে কারণে বাজারে কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে চড়ে গেছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায়, খরিপ-১ মৌসুমে যশোরে ৬৭৫ হেক্টর, ঝিনাইদহে ১ হাজার ৬২০ হেক্টর, মাগুরায় ৭৭০ হেক্টর, চুয়াডাঙ্গায় ১ হাজার ২৬৬ হেক্টর, মেহেরপুরে ৪ হাজার ১৭৫ হেক্টর ও কুষ্টিয়া জেলায় ২ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। মেহেরপুর সদর উপজেলার চাষি জিয়াউর রহমান জানান, তার এক বিঘা জমিতে মরিচ খেত আছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে অনেক গাছ উপরে মরে গেছে। অল্পসংখ্যক গাছ বেঁচে আছে। কিন্তু অতিবৃষ্টিতে ফুলফল পঁচে যাচ্ছে। এতে উত্পাদন খুবই কম হচ্ছে। যে কারণে দাম চড়ে গেছে। তাদের এলাকায় খুচরা প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আড়ুয়াকান্দি গ্রামের চাষি লিটন শিকদার জানান, গাছে মরিচ খুব কম ধরছে। মঙ্গলবার শৈলকুপা হাটে পাইকারি প্রতি কেজি ১৪০ টাকা দরে বিক্রি করেন। খুচরা ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার আব্দুর রশিদ জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য মরিচ গাছ মরে গেছে। এতে উত্পাদন কমে গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক পার্থ প্রতীম সাহা জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে মরিচ গাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তারপর অতিবৃষ্টি গাছে পচন ধরে। এতে মরিচের উত্পাদন একেবারে কমে গেছে।
