আশাশুনিতে শিশুকে ধর্ষণের পর পুকুরে ছুড়ে হত্যা

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:৩৬

ধর্ষক আটক

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামে প্রাইভেট পড়তে যাওয়া এক শিশুকে ধর্ষণ করে পুকুরে ছুড়ে হত্যা করা হয়। রবিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত শিশু সুষ্মিতা দাস গাবতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। পুলিশ ধর্ষক ঘাতক জয়দেব সরকারকে আটক করেছে।

সুষ্মিতার বাবা প্রশান্ত দাস জানান, তার মেয়ে একই গ্রামের অম্বিকা রানী সরকারের কাছে রোজ সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়তো। রবিবারও সে তার কাছে পড়তে গিয়ে জানতে পারে অম্বিকা বাড়িতে নেই। এ খবর জানিয়ে অম্বিকার ভাই জয়দেব সরকার শিশুটিকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে নিকটস্থ একটি দোকানে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে খাবার খাইয়ে ফের বাড়িতে নিয়ে আসে। বাড়িতে এ সময় অন্য কেউ না থাকার সুযোগে জয়দেব মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। মৃত ভেবে তাকে বাড়ির পুকুরে ছুড়ে ফেলে দেয় জয়দেব। খোঁজাখুঁজি শুরু হলে জয়দেব শিশুটির লাশ ফের তুলে এনে বাড়ির বাথরুমে রেখে দেয়। রাত ১১টায় গ্রামবাসী লাশটি উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। এ সময় তারা জয়দেবকে আটকে রাখে।

জয়দেব একই গ্রামের নির্মল সরকারের ছেলে ও বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

এ বিষয়ে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক জয়দেব শিশুটিকে ধর্ষণ এবং পুকুরে ফেলে পরে আবার তুলে এনে বাথরুমে রেখে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে।