বিনিয়োগ বাড়ানোই হবে মূল লক্ষ্য

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:৪০

নতুন মুদ্রানীতি নিয়ে আলোচনা শুরু

 

ইত্তেফাক রিপোর্ট

সাধারণ নির্বাচন শেষ। নতুন মন্ত্রিসভাও গঠন হয়ে গেছে। এখন সময় সামনে এগিয়ে চলার। দেশের বাজারে কতটা বিনিয়োগ হবে এবং প্রবৃদ্ধি কতটা হবে সে বিষয়ে মুদ্রানীতিতে ইঙ্গিত থাকে। তাই সামনের দিনগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোই এবারের মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হবে বলে ধরা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে চলতি মাসেই। এ বিষয়ে গতকাল গুলশানে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠক করেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ফজলে কবীর। বৈঠকে অর্থনীতিবীদরা বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে গভর্নরকে বিভিন্ন পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে এক্ষেত্রে কী কী চ্যালেঞ্জ আছে ও তা উত্তরণের বিষয়েও আলোচনা করেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের জন্য এবারের মুদ্রানীতিতেও দিক-নির্দেশনা থাকবে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা বা এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি ৬ মাস অন্তর আগাম মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায়  মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে পরবর্তী ছয় মাসে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে তার একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। মুদ্রানীতি চূড়ান্ত করতে অন্যান্য বছরের মতো এবারও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, বিশিষ্ট ব্যাংকার, প্রাক্তন গভর্নর, প্রাক্তন মন্ত্রী, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।।