বিমানবন্দরে আটক সৌদি নারীকে ফেরত না পাঠাতে অনুরোধ এইচআরডব্লিউ’র

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:০১

পরিবারের কাছ থেকে পালানো সৌদি নারীকে বিমানবন্দর থেকে কুয়েতে ফেরত না পাঠাতে থাইল্যান্ডের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

সোমবার স্থানীয় সময় বেলা সোয়া ১১টার দিকে কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে রাহাফ মোহাম্মদ আল-কুনুন নামের ওই সৌদি নাগরিককে তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। ফেরত পাঠালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ‘হত্যা করতে পারে’ এ আশঙ্কার কথা জানিয়ে রবিবার ট্যুইটারে ছবিসহ পোস্ট দিয়েছিলেন ১৮ বছরের এ তরুণী।

বিশ্ব গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর সোমবার হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) রাহাফকে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা বাদ দিতে থাইল্যান্ডকে অনুরোধ করে বলে বিবিসি জানিয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কুয়েত ভ্রমণে থাকার সময় পালানো এ সৌদি নারী আশ্রয় প্রার্থনার জন্য ব্যাংকক হয়ে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন।

ব্যাংকক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের একজন কূটনীতিক তার সঙ্গে দেখা করে তার পাসপোর্ট নিয়ে নেয় বলে দাবি রাহাফের। কুয়েতে ফেরত পাঠানো হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে সৌদি আরবে নিয়ে গিয়ে হত্যা করবে বলে আশঙ্কা এ নারীর। ‘আমার ভাই ও পরিবারের সদস্যরা এবং সৌদি দূতাবাস কুয়েতে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তারা আমাকে মেরে ফেলবে। আমার জীবন বিপন্ন। আমার পরিবার আমাকে তুচ্ছ সব কারণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে,’ রবিবার রয়টার্সকে দেওয়া অডিও ও লিখিত মেসেজে এমনটাই বলেন রাহাফ।

নিউ ইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পরিচালক মাইকেল পেইজ সোমবার এক বিবৃতিতে ‘বিপদের মুখে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক সৌদি নারীকে’ ফেরত পাঠানো থাইল্যান্ডের উচিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন। ‘থাই কর্তৃপক্ষের এখনি (রাহাফকে) ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা বাদ দেওয়া উচিত। রবিবার ট্যুইটারে দেওয়া পোস্টে রাহাফ বলেছিলেন, তাকে বিমানবন্দরের ভেতরে একটি হোটেলে আটকে রাখা হয়েছে।