বেলারুশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরমে, শিল্প কারখানা বন্ধ

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২০, ০১:৪০

বেলারুশে বিতর্কিত নির্বাচনের পর বিজয়ী প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চরমে ওঠেছে। গতকাল রাজধানীতে লাখ লাখ মানুষ তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে। বিপুল ব্যবধানে জয়ী হবার তার দাবিকে প্রত্যাখ্যান প্রতিবাদকারীরা বিক্ষোভে অংশ নেন। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক ভোট জালিয়াতি ও নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন অভিযানের অভিযোগ ওঠেছে।

গতকাল দেশ জুড়ে লাখ লাখ মহিলা ও চিকিত্সাকর্মীরা পথের পাশে হাতে হাত ধরে সহিংসতা বন্ধের দাবি জানান। প্রধান প্রধান শিল্পকারখানা যতদিন না লুকাশেঙ্কো পদত্যাগ করছেন ততদিন বন্ধ রাখা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, বেলারুশের আগের বিরোধী দলগুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। যারা প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কোর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল বা নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়েছিল, তারা হয় জেলখানায়, নয়তো দেশ থেকে পালিয়ে প্রবাসে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছে। বেলারুশে এর আগেও মানুষের আন্দোলন দমন করা হয়েছে। তবে ২০০৬ এবং ২০১০ সালের সে সব বিক্ষোভ তুলনামূলক ছোট ছিল।

আরও পড়ুন: আলো জ্বালাতে কেরোসিন যুগের সমাপ্তি

বিক্ষোভকারীরা বলছে, এবার যে রকম নির্দয়ভাবে বিক্ষোভ দমন করা হচ্ছে, তা আঁতকে উঠার মতো। এমনটি এর আগে দেখা যায়নি। রাস্তায় যারা বিক্ষোভকারী এবং পথচারীদের ওপর হামলা করছে, তাদের পরনে কালো পোশাক, মুখে মুখোশ। তাদের পোশাকে কোনো ব্যাজ নেই, তারা কোনো পরিচিত বাহিনীর ইউনিফর্ম পরেনি। খবর বিবিসি ও ভিওএর

ইত্তেফাক/আরআই