ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার বাশাটি গ্রামে মাইক্রোবাস পুকুরে পড়ে ৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় গফরগাঁও উপজেলার আঠারদানা ও ভাতুরী গ্রামে চলছে শোকের মাতম। নিহতদের চারজনই গফরগাঁও উপজেলার।
দুর্ঘটনায় আঠারদানা গ্রামের রতনের মা রেজিয়া আক্তার (৭০) ও রতনের স্ত্রী (৩০) লিপা আক্তার (৩০) নিহত হয়। প্রাণ বেঁচে যায় রতন (৩৯)। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদের হাতে উদ্ধার হওয়া রতন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আঠারদানা গ্রামে রতনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় চলছে শোকের মাতম। আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীদের কান্নায় সেখানে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে রতনের শ্বশুর-শাশুড়ি (নিহত লিপার পিতা-মা) উপজেলার ভাতুরি গ্রামের শামছুল হক (৬৫) ও পারুল আক্তার । ভাতুরী গ্রামেও চলছে শোকের মাতম।
আরো পড়ুন : দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এগিয়ে নিতে ঢাকায় দুইদিনের সফরে শ্রিংলা
জানা গেছে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলায় তাদের আত্মীয় হাসেমের লাশ দেখতে ১৪ জন মঙ্গলবার ভোরে ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া গ্রাম থেকে একটি মাইক্রোবাসে রওনা হয়। তারা সবাই আত্মীয়-স্বজন। সকাল পৌনে ৮টার দিকে ফুলপুর উপজেলার বাশাটি গ্রামে মাইক্রোবাসটি দুর্ঘটনায় পতিত হয়।
ইত্তেফাক/ইউবি

