ইন্দুরকানীতে টানা বৃষ্টি ও অতিরিক্ত জোয়ারের পানির স্রোত ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করছে। ফলে পিরোজপুর জেলার তিন দিক থেকে নদী বেষ্টিত ইন্দুরকানী উপজেলার অধিকাংশ এলাকা শনিবারও প্লাবিত হয়েছে জোয়ারের পানিতে। নদী তীরের ভাঙ্গা বেড়ি বাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে অনবরত। তাই ডুবে যাচ্ছে কৃষি ক্ষেত, মাছের ঘের, মানুষের ঘর বাড়ি ও চলাচলের রাস্তা।
বিশেষ করে জোয়ারের সময় এই এলাকার মানুষের দূর্ভোগের শেষ থাকে না। শ্রমজীবীরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকার কাঁচা ঘরের মেঝে ক্ষয়ে যাচ্ছে জোয়ারের স্রোতে। অনেক গৃহিণীর চুলা ডুবে যাওয়ায় কষ্ট করে ঘরে মধ্যে মাটির আলগা চুলায় রান্না করতে হচ্ছে।
এদিকে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন কৃষকরা। বিশেষ করে ৪৫৫ হেক্টর আমনের বীজ তলা জোয়ারে ডুবে গিয়েছে। জোয়ারের পানির স্রোতে খুব ক্ষতি হচ্ছে এসব বীজ তলার। আবার উপজেলার ২১০ হেক্টর কৃষি জমিতে থাকা আউশ ধান নিয়েও বিপাকে কৃষক। আর ২৫০ হেক্টর জমিতে থাকা রোপিত আমন নিয়েও চিন্তার শেষ নেই তাদের। কলা চাষিরাও রয়েছে খুব সমস্যায়।
আরো পড়ুনঃ ৫০০ কোটির সিনেমায় ২৫০ কোটি গ্রাফিক্সের ব্যয়
যদিও ইন্দুরকানীর উপজেলা কৃষি অফিসার হুমায়ারা সিদ্দিকা জানান, ভাঙা বেড়িবাঁধের কারণে অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে উপজেলার অধিকাংশ কৃষি ক্ষেত। পানি স্থায়ী না হলে খুব একটা সমস্যা হবে না।
ইন্দুরকানী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মুহাম্মদ আল মুজাহিদ জানান, ইন্দুরকানী উপজেলার নদী তীরের ভাঙা বেড়িবাঁধ থেকে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বেড়ি বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দ্রুত মেরামতের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করি খুব শীঘ্রই সমস্যার সমাধান হবে।
ইত্তেফাক/এমএএম
