ইত্তেফাক রিপোর্ট
হালকা প্রকৌশল শিল্পপণ্য আমদানি ও উত্পাদন উভয় ক্ষেত্রে একই রকম মূসক ব্যবস্থা থাকার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। তিনি বলেন, গার্মেন্টস খাতের মতো হালকা প্রকৌশল খাতকেও সব ধরনের সহায়তা প্রদান করার বিষয়টি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে। গতকাল শনিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) ও দৈনিক যুগান্তরের যৌথ উদ্যোগে হালকা প্রকৌশল শিল্প খাতের সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয় শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। অনলাইনে জুম প্ল্যাটফরমে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনায় অতিথি ছিলেন শিল্প সচিব কে এম আলী আজম। বিটাকের মহাপরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষি, মোটর পরিবহন, নৌযান চলাচল, মুদ্রণসহ অন্যান্য সব শিল্প কারখানার জন্য যাবতীয় স্পেয়ার পার্টস বা খুচরা যন্ত্রাংশ তৈরি ও মেরামত করার ক্ষেত্রে দেশের হাজার হাজার ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। দেশে হালকা প্রকৌশল শিল্প খাতে ৫০ হাজারের অধিক কারখানায় সরাসরি ৮ লাখ এবং পরোক্ষভাবে আরো প্রায় ৬০ লাখ লোকের জীবিকা নির্বাহ করছে। সারা পৃথিবীতে হালকা প্রকৌশল খাতের বাজারের পরিমাণ প্রায় ৮ ট্রিলিয়ন ডলার উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী এ বিশাল বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় শিল্প সচিব বলেন, স্থানীয় বাজার ও আন্তর্জাতিক বাজারে দেশে উত্পাদিত হালকা প্রকৌশল শিল্পপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে এ খাতের উদ্যোক্তাদের নীতি সহায়তা দেওয়া হবে। এ খাতের জন্য একটি পৃথক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বৈঠকে ইঞ্জিনিয়ারিং মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, বিসিকের চেয়ারম্যান মোশ্তাক হাসান এনডিসি, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুল ইসলাম, বিটাকের পরিচালক ড. ইহসানুল করিম, বুয়েটের অধ্যাপক কামাল উদ্দিন, এমআইএসটির অধ্যাপক ড. এ কে এম নূরুল আমিন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
