নবান্নে বাজার ধরতে নওগাঁয় আগাম কপি চাষ শুরু করেছেন কৃষকরা। নবান্নের আগে প্রতিটি কপি গড়ে প্রতি কেজিতে ১শ টাকা বিক্রি হয়ে থাকে। ইতিমধ্যে নওগাঁয় প্রায় ১শ হেক্টর জমিতে শীতকালীন ফুলকপি ও পাতাকপি লাগানো হয়েছে। জেলায় চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি কপি চাষ করা হবে বলে আশা ব্যক্ত করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় চলতি মৌসুমে ১১শ হেক্টর জমিতে শীতকালীন কপি চাষের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে ফুলকপি ৬শ হেক্টর ও ৭শ হেক্টর জমিতে পাতাকপি। তবে বর্তমানে সবধরণের সবজির ভালো দাম পাওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে কপি চাষ হওয়ার সম্ভবনা হয়েছে। আগাম উৎপাদিত কপি নবান্নের বাজারে ভালোদামে কেনা-বেচা হয়ে থাকে। ফলে কৃষকরা বেশি লাভবান হন।
কপি শীতকালীন ফসল হওয়ায় সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত চাষ করা হয়ে থাকে। এই সময় লাগানো কপি ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে বাজারে কেনা-বেচা হয়। সে সময় সব কৃষকের কপি এক সাথে বাজারে আসায় দাম কিছুটা কম পেয়ে থাকে।
কৃষকরা বলছেন, আগাম কপি আবাদ করতে এক বিঘা জমিতে চাষ, সেচ, সার, শ্রমিক, বীজ, কিটনাশকসহ অন্যন্যা খচরবাবদ ২০ হাজার টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়ে থাকে। ভালো ফলন হলে ১ লাখ টাকা থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা বিক্রি করা সম্ভব হয়।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তারের উপ-পরিচালক শামছুল ওয়াদুদ জানান, কৃষকদের আগামজাতের সবজি আবাদ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগাম জাতের সবজি বিক্রি করেও বেশি দাম পেয়ে থাকেন কৃষকরা। ইতিমধ্যে জেলায় প্রায় ১শ হেক্টর জমিতে কপি চাষ করা হয়েছে। এই কপিগুলো নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ অর্থাৎ নবান্নের আগেই বাজারে কেনা-বেচা শুরু হবে। নতুন সবজি কপির দামও ভালো পান কৃষকরা। বর্তমানে সবধরণের সবজির ভালো দাম পাওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে কপি চাষ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
