বাংলাদেশের কর্মসংস্থানে বড় ভুমিকা রেখে যাচ্ছে ‘ক্যাটারিং ব্যবসা’। স্বাস্থ্যসম্মত ও ঘরোয়া পরিবেশে রান্না করা খাবার অফিস কিংবা পার্টিতে সর্বোপরি আপনার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে অনেকেই ভালো আয় করছেন। ২০১৬ সাল থেকে ক্যাটারিং ব্যবসায় এসেছে ‘বাংলা হেঁসেল ইন্টারন্যাশনাল ’। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী সম্ভাবনাময় এ খাতে নতুন উদ্যোক্তা নয়, অনেক বড় প্রতিষ্ঠানেও কাজ করছে আধুনিক ব্যবস্থাপনায়।
সেই স্বপ্নটি আবার তাঁর নিজের আখের খোছানোর কোন গল্প নয়। মানুষকে সততার সাথে স্বল্প টাকায় মানসম্মত খাবার পরিবেশন করার তাগিদে ২০১৬ সালে বহুজাতীক কোম্পানির অনেক লোভনীয় চাকরি ছেড়ে একক মালিকানাধীন কোম্পানি হিসাবে কর্মজীবী মানুষের মাঝে শতভাগ স্বাস্থ্যকর ও মানসস্মত খাবার পরিবেশনের মানসিকতা থেকে তাঁর এই যাত্রা শুরু। তবে অনেক সমস্যা ও প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করে বাংলা হেঁশেলের যে যাত্রা শুরু হয় আজ দীর্ঘ পাঁচ বছর পর স্বপ্নের অনেকটাই বাস্তবায়নকে এর অন্যতম স্বত্বাধিকারী মো. আনোয়ারুল কাইয়ুম চৌধুরী রাজু নিজের একার সাফল্যের চাইতে কোম্পানির ছোট বড় সবার সম্মেলিত উদ্যোগের ফল হিসাবে দেখতে চান।
প্রায় ৩০ জন কর্মী নিয়ে সপ্তাহে ৬দিন ঢাকায় বেশ কয়েকটা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানেকে নিয়মিত খাবার সরবরাহ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব খাবারের মধ্যে ভাত, মাছ, মাংস, নান রুটি, রিচ ফুড রয়েছে। এছাড়া চাইনিজসহ সব রকমের মেনুও রয়েছে। রান্নাঘরের পরিবেশও শতভাগ স্বাস্থ্যকর। এই পরিবেশ উন্নয়নে ব্যবহূত হচ্ছে অধুনিক যন্ত্রপাতি।
বাংলা হেঁসেল ইন্টারন্যাশনাল বর্তমানে ছোট-বড় প্রায় ৫০টির মতো প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত খাবার সরবরাহ করে যাচ্ছে। করোনাকালীন সময়ে সকল প্রকার নীয়মনীতি মেনেই স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে, এইচএসবিবি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাক ব্যাংক, ডাটাবিজ সফটঅয়্যার, এক্সেল টেকনোলজি, জেনেক্স, ফেয়ার লিমিটেড, পপুলার ফার্মেসির মতো অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানে খাবার পোঁছে দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি কর্পোরেট, প্রাইভেট ও স্পেশাল ইভেন্ট করে থাকে। তাছাড়া, কুকআপ, পাঠাও, সহজ, ফুডফান্ডার মাধ্যমেও অর্ডারও নিচ্ছে। https:// banglahayshayl.com/ ও ফেসবুক পেজের মাধ্যমে খাবার অর্ডার দেওয়া যাচ্ছে।
