বাইডেন প্রেসিডেন্ট হলে যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যাবে

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২০, ২২:২৭

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে আমেরিকাকে ধ্বংস করে দেবেন। আমেরিকার মহত্ব ক্ষুণ্ন হবে এবং আমেরিকার স্বপ্ন বলতে কিছু থাকবে না। তিনি বাইডেনকে কট্টর বাম চরমপন্থি হিসেবেও আখ্যা দেন। এদিকে ট্রাম্প যখন সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন হোয়াইট হাউজের বাইরে বিক্ষোভ চলছিল। এমনকি এক সিনেটর ও তার স্ত্রীর ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। খবর সিএনএন, রয়টার্স ও ডেইলি মেইলের

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের সাউথ লন থেকে দলের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। দলীয় কাজে হোয়াইট হাউজের ব্যবহার নিয়ে সমালোচনা সত্ত্বেও সেখানে দাঁড়িয়েই সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, বাইডেন মোটেই যুক্তরাষ্ট্রের আত্মার রক্ষাকর্তা নন। তিনি ক্ষমতায় এলে মার্কিন নাগরিকদের জীবিকা ও উপার্জন বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখতে পারা যাবে কি না এবং দেশ নৈরাজ্যের দিকে যাবে কি না, তা এই নির্বাচনেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বাইডেনের বিশ্বাসঘাতকতা ও বিভ্রান্তির দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, বাইডেন ক্ষমতায় এলে দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবাইরে ভেঙে পড়বে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, বামপন্থিরা ক্ষমতায় এলে দেশের মফস্সল শহরগুলো ধ্বংস  হয়ে যাবে। নাগরিকদের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রগুলোও বাজেয়াপ্ত করা হবে। সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পও বক্তব্য দেন। সম্মেলনের শেষ দিনে সাউথ লন বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়। আতশবাজি ফোটানো হয়। সম্মেলনে প্রথা ভেঙে হাজার দেড়েক সরকারি কর্মকর্তাও অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষ হতেই এক টুইটার বার্তায় বাইডেন লেখেন, আজ ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বাইডেনের আমলে মার্কিন নাগরিকরা নিরাপদে থাকবেন না। এবার আপনারা নিজেদের প্রশ্ন করুন, ট্রাম্পের আমলে আপনারা কতটা নিরাপদ মনে করছেন। উনি হিংসায় মদদ দিচ্ছেন।

সিনেটরের ওপর হামলা

কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর পুলিশের একের পর এক গুলির ঘটনায় বিক্ষোভ হয় হোয়াইট হাউজের বাইরেও। ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ এর বিক্ষোভকারীরা করোনা ভাইরাসে ১ লাখ ৮০ হাজার মৃত্যুর জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দায়ী করেন। বৃহস্পতিবার রাতে রিপাবলিকান দলের সম্মেলন শেষে বাইরে আসার পর কেনটাকির সিনেটর র্যান্ড পল এবং তার স্ত্রীর ওপর হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সিনেটরকে দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যায়। পরে এক টুইটার বার্তায় পল বলেন, শতাধিক বিক্ষোভকারী হামলা চালিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ আমাকে রক্ষা করেছে। তিনি পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।