আবার আলোচনায়...

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:৫৩

g তা হ মি না  মি লি

 

ছয়জন অ্যাডভেঞ্চার পাগল মানুষ রহস্যময় একটি ভবনে গিয়ে অদ্ভুত পরিস্থিতিতে পড়েন। এসকেপ রুম গেম খেলতে খেলতে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তারা। দুঃস্বপ্নের ঘোরে তাদের সময় কাটতে থাকে। একসময় তারা বুঝতে পারেন তারা জীবনমৃত্যুর ভয়ংকর এক ফাঁদে আটকা পড়েছেন তারা। হলিউডের সাম্প্রতিক একটি সিনেমা ‘এসকেপ রুম’-এর শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনি দর্শকদের চমকিত করেছে। সিনেমায় একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র আমান্ডা হারপার। চরিত্রটিতে দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন ডেবোরাহ অ্যান ওল। আমেরিকান স্বর্ণকেশী সুন্দরী মেধাবী এই অভিনেত্রী ‘এসকেপ রুম’ সিনেমায় অভিনয়ের সুবাদে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাকে সবাই চেনে এইচবিওর ড্রামা সিরিজ ‘ট্রু ব্লাড’-এর ভ্যাম্পায়ার তরুণী জেসিকা হ্যামবে হিসেবে। ওই চরিত্রে অভিনয় করে ডেবোরাহ ব্যাপক খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এ ছাড়া নেটফ্লিক্সের ‘ডেয়ারডেভিল’, ‘দ্য ডিফেন্ডারস’, ‘দ্য পানিশার’ সিরিজগুলো তাকে ঘরে ঘরে একটা পরিচিতি ও জনপ্রিয় করেছে। এ ছাড়া হলিউডি সিনেমা ‘মাদারস ডে’, ‘সামবডি দিজ পেইন উইল বি ইয়ুজফুল’, ‘টু ইউ’, ‘ক্যাচ ফোরটি ফোর’, ‘রুবি স্পার্কস’, ‘মি মি ইন মন্টেগ্রো’, ‘দ্য অটোমেটিক হেইট’ প্রভৃতি তার উজ্জ্বল উপস্থিতি সবার নজর কেড়েছে। ৩৩ বছর বয়সী ডেবোরাহর জন্ম নিউইয়র্ক ও ব্রুকলিনে। তার জার্মান বাবা একজন আর্কিটেক্ট। আর মা একজন স্কুল টিচার। ডেবোরাহর মধ্যে বাবা-মা দুজনের সুস্পষ্ট প্রভাব রয়েছে। বাবার জার্মান এবং মায়ের আইরিশ উচ্চারণ লক্ষ্য করা যায় তার কথায়। শৈশবে প্যাকার কলেজিয়েট স্কুল গেছেন ডেবোরাহ। ইউএসসি স্কুল অব ড্রামাটিক আর্টস থেকে ব্যাচেলর অব ফাইন আর্টসের ওপর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। গ্র্যাজুয়েশন শেষে ডেবোরাহ লন্ডনের রয়েল একাডেমি অব ড্রামাটিক আর্টস থেকেও ট্রেনিং লাভ করেছেন তিনি। শুরুতে টেলিভিশনের বিভিন্ন সিরিজে ছোটখাটো রোলে অতিথি শিল্পী হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে অভিনয়ে অনেকটা পাকা হয়ে ওঠেন ডেবোরাহ। তবে ২০০৮ সালে সবার নজরে আসেন এইচবিও চ্যানেলের ফ্যান্টাসি ড্রামা সিরিজ ‘ট্রু ব্লাড’-এ অভিনয়ের কারণে। শুরুতে সিরিজটিতে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় শুরু করে পরবর্তী সময় যোগ্যতা গুণে তার অভিনীত চরিত্রটির বিস্তৃতি ঘটে। ‘ট্রু ব্লাড’ সিরিজে অভিনয় করে পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। ডেবোরাহর বয়ফ্রেন্ড ই জে স্কট কোরোইডার্মিয়া রোগে আক্রান্ত, ফলে হঠাত্ মাঝে মাঝে দৃষ্টিশক্তিহীন হয়ে যান। এটি দুর্লভ একটি রোগ। এ রোগের ব্যাপারে সচেতনতা গড়ে তুলতে ডেবোরাহ তার নিজের সেলিব্রিটি স্ট্যাটাসকে কাজে লাগাতে সচেষ্ট। বয়ফ্রেন্ড স্কট অনেক মনোবলের অধিকারী বলে তার সাময়িক অন্ধত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন। তার পাশে একজন সত্যিকার বন্ধুর মতো থেকে সাহস ও মনোবল জুগিয়ে চলেছেন হলিউডের এই অভিনেত্রী, যে কারণে ডেবোরাহ প্রশংসা অর্জন করেছেন সবার কাছ থেকে।