জনপ্রিয় সবজি। তরকারি ও ভাজি হিসাবে খাওয়ার পাশাপাশি এর পাতা ও ডগা শাক হিসেবে খাওয়া যায়। কচি অবস্থায় রং হালকা সবুজ, ভেতরে সাদা শাঁস। আঞ্চলিক নাম কদু। লাউয়ের জন্ম আফ্রিকায়। বাংলাদেশে লাউয়ের অনেক জাত চোখে পড়ে। সবজির আকার-আকৃতি এবং গাছের লতানোর পরিমাণ থেকেও জাতগুলো পার্থক্য করা যায়। জাতভেদে লম্বা ৪০-৫০ সেন্টিমিটার আর ওজনে ১.৫-২.০ কেজি হয়। প্রতি গাছে ১৪-২০টি লাউ ধরে। লাউ একইসঙ্গে সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর সবজি। দেহের পানিশূন্যতা দূর করে। ত্বকের আর্দ্রতা, শরীর ও প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এবং কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এটি অর্শ, কোষ্ঠ পরিষ্কারক, পেট ফাঁপা প্রতিরোধক। ডায়াবেটিস রোগে ক্যালরির পরিমাণ কম বলে লাউ যথেষ্ট উপকারী। ওজন কমাতে বেশ সাহায্য করে। লাউয়ে আছে মানব দেহের জন্য দরকারি দুটো উপাদান—প্রাকৃতিক প্রোটিন ও ভিটামিন। বাড়ির পাশে পতিত জমিতে লাউগাছের চারা রোপণ করে পুষ্টিগুণ মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয় করাও সম্ভব। আজকাল ছাদবাগানেও লাউগাছের ফলনে সুফল পাওয়া যাচ্ছে।
