রাজধানীর উত্তরখান এলাকায় সোহাগ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার করেছে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামি। এরা হলেন হলো-সাদ আল রাফী ও মো. নাজমুল হুদা ওরফে নাদিম। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের একটি টিম শনিবার বিকালে তাদের গ্রেফতার করে।
গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার কায়সার রিজভী কোরায়েশী বলেন, গত ২৭ আগস্ট রাত ৮টায় উত্তরখান থানার খ্রিস্টান পাড়া ডাক্তার বাড়ি মোড় এলাকায় গ্রেফতারকৃতদের বন্ধু হৃদয়ের শরীরে রিকশার চাকা থেকে কাদা পানি ছিটে লাগলে রিকশা চালককে হৃদয় মারধর করে। এ সময় ভিক-টিম সোহাগ হৃদয়ের কাছে রিকশাচালকের মারধরের কারণ জানতে চায়। বাদানুবাদের এক পর্যায়ে সোহাগ হৃদয়কে থাপ্পড় মারে। এই ঘটনায় হৃদয় তার বন্ধুদের কাছে বিষয়টি জানিয়ে ঘটনাস্থলে আসতে বলে। বন্ধুরা ঘটনাস্থলে এসে সোহাগের কাছে হৃদয়কে মারার কারণ জানতে চেয়ে তর্কাতর্কি করে। এরই এক পর্যায়ে হৃদয়ের বন্ধু মাহবুবুল ইসলাম ওরফে রাসেল ওরফে কাটার সোহাগের পেটে ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ভিকটিম সোহাগকে উত্তরার নসট্রাম হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নেয়া হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরো পড়ুন : ঢাকা-৫ এবং নওগাঁ-৬-এ বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি বৃহস্পতিবার
এ ঘটনায় ভিকটিমের ভাই উত্তরখান থানায় অভিযোগ দায়ের করলে হত্যা মামলা রুজু হয়। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে খিলগাঁও গোড়ান এলাকা হতে সাদ আল রাফীকে ও গাজীপুর মহানগর পুলিশের গাছা থানা এলাকা থেকে নাজমুল হুদা ওরফে নাদিমকে গ্রেফতার করা হয়।
ইত্তেফাক/ইউবি
