আয়কর মেলার দ্বিতীয় দিন গতকাল বুধবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে করদাতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে কর সেবা পাওয়ার জন্য মেলায় এসেছেন তারা। করদাতারা জানিয়েছেন, আয়কর অফিসে হয়রানি ও বাড়তি টাকা দিতে হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সহযোগিতা পাওয়া যায় না। বরং কীভাবে আটকানো যায় সে চেষ্টাই থাকে। এজন্য কর মেলায় এসেই তারা রিটার্ন জমা দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
মেলা আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠান জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, গতকাল মেলার দ্বিতীয় দিনে দেশব্যাপী ২ লাখ ৩৬ হজার ব্যক্তি সেবা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৬৫ হাজার রিটার্ন দাখিলের বিপরীতে ৫৫১ কোটি টাকা আয়কর আদায় হয়েছে।
মেলায় মিলছে যেসব সুবিধা :আয়কর মেলায় করদাতারা সহজেই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারছেন। করদাতাদের মেলা প্রাঙ্গণে আয়কর রিটার্ন, ই-টিআইএন আবেদন ফরম এবং চালান ফরম সরবরাহ করা হচ্ছে। হেল্প ডেস্ক, তথ্যকেন্দ্র ও আয়কর অধিক্ষেত্র সংক্রান্ত বুথ রয়েছে। এসব বুথের মাধ্যমে করদাতাদের আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণ, চালান ও পে-অর্ডার প্রস্তুতসহ আয়কর আইনবিষয়ক প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। করদাতাদের সুবিধার্থে মেলায় রয়েছে ফটোকপির ব্যবস্থাও। ঢাকায় প্রতিটি কর অঞ্চলের জন্য আলাদা বুথ থাকছে। নতুন কর শনাক্তকরণ নম্বর (ই-টিআইএন) নেওয়া যাচ্ছে। মেলায় স্থাপিত সোনালী ও জনতা ব্যাংকের বুথে করদাতারা আয়কর জমা দিতে পারছেন। এছাড়া এনবিআরের ‘ই-পেমেন্ট’ ওয়েবসাইট ব্যবহার করে পরিশোধ করা যাচ্ছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন শুল্ক, ভ্যাট, সঞ্চয় অধিদফতর, বিসিএস (কর) একাডেমি, কাস্টমস একাডেমি এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের পৃথক পৃথক বুথ রয়েছে। এসব বুথ থেকে মেলায় আগত দর্শনার্থীরা সংশ্লিষ্ট বিভাগ সম্পর্কে সব তথ্য জানতে পারছেন।
