দুই মলাটে কুক্ষিগত প্রেমের বজ্রবাণে,
অষ্টপ্রহর ডুবছে নারী কৃষ্ণবাঁশির টানে।
হূদয়বৃত্তির হিসেব যেথায় দেহের বানে ভাসে,
কষ্টে হাসে কাঁদে এবং বাঁধা পড়ে যায় পাশে।
অশ্বারোহী নারী শুধু বেয়াড়া স্রোতের মাঝি,
প্রেম হবে না কালো মেয়ের—কবির নীরব বাজি।
দেহ-দেশের চকমকিতে সুখের বিলাস বাসে,
ঘুপচি-গলির অন্ধকারে অহমগুলো হাসে।
সুখ কেবলই স্বৈরাচারি, বর্ণ-ভেদাভেদ,
শাণিত বোধ, ক্ষমাশীলতা—মনের বিশাল ছেদ।
আগুনমুখা পাড়িতে থাকে না সাদাকালো কোনো পাশ,
তাড়া কি শুধু কালো মেয়ের, পুরুষ বোঝে না রাশ?
নষ্টকথার মিথ্যাস্রোতে পুরুষ অহংকারী
নারী কেবল ক্ষমা করে যায়—দায় যেন শুধু তারই!
ক্ষীণদেহী সে স্বাধীনতা পেলে দিগন্ত দেবে পাড়ি,
নতুন আলোয় ভরবে আকাশ দিগিবজয়ী নারী
