প্রবাদে আছে-বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা, আর পুলিশে ছুঁলে ছত্রিশ! কিন্তু নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার অনন্য পুলিশিং বদলে দিচ্ছে পুলিশ সম্পর্কে মানুষের নেতিবাচক ধারণা। আর এ বদলে যাওয়া থানার কারিগর সদ্য যোগদানকৃত ওসি আব্দুল আউয়াল যিনি কিশোরগঞ্জ থানায় গত এক মাস আগে যোগদান করেছেন।
শনিবার কিশোরগঞ্জ থানায় গিয়ে দেখা যায়, থানার সীমানা প্রাচীরসহ বিভিন্ন জায়গায় লেখা আছে পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ, রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, মানচিত্রসহ বিভিন্ন চিত্রকর্ম। থানা ফটক দিয়ে ঢোকার সময় হাতের ডান দিকে চোখে পড়ে একটি বাগান, বাগানে লাগানো হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল। রয়েছে একটি ছাউনি, যেটি থানায় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আগত মানুষের সেবা ছাউনি হিসাবে পরিচিত। রয়েছে সাধারণ মানুষের মোটরসাইকেল রাখার জন্য একটি সাইকেল গ্যারেজ। থানার মূল ফটকের ভেতরে রয়েছে নারী,শিশু বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা সার্ভিস ডেস্ক। এক সময় অনেকের বিরক্তির কারণ ছিল এই থানা প্রাঙ্গণ। সারাক্ষণ মানুষের জটলা লেগে থাকার পাশাপাশি পরিবেশ ছিল নোংরা, বর্তমানে মানুষের জটলা নেই। সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের প্রাপ্য সেবা গ্রহণ করে চলে যাচ্ছেন। থানা হাজতের পাশেই ছিল ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেন। থানায় আসলে নাকে রুমাল দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে হতো। বর্তমানে ড্রেনটি পরিষ্কার করার কারণে সেই দৃশ্য উধাও হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: মৃত্যু নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য, বাবা ও সৎ মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ নোহার মায়ের
সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোকলেছার রহমান।
কিশোরগঞ্জ থানার বর্তমান ওসি আব্দুল আউয়ালের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের থানায় বর্তমানে যাকে ওসি হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সে বাংলাদেশে পুলিশের একজন মেধাবী এবং চৌকস পুলিশ অফিসার। সে পুলিশের আনপল মিশন পরপর দু’বার সফলতা ও সুনামের সাথে শেষ করেছে।’ তিনি পুলিশকে সঠিক তথ্য দিয়ে সেবা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
ইত্তেফাক/এএএম
