দুমকিতে গ্রামীণ অবকাঠামোর ১৫০ কি.মি কাঁচা রাস্তা বেহাল!

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:২৫

দুমকি উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামোর অন্তত দেড়’শ কি.মি কাঁচা রাস্তা বেহাল হয়ে পড়েছে। ফলে পাঁচ ইউনিয়নবাসীর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উপজেলার লেবুখালীর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মো. হাবিবুর রহমান মিয়া বলেন, টিআর কাবিখা প্রকল্পে প্রতিবছর বরাদ্দ দেখানো হয়। কিন্তু বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কাজ না হওয়ায় সড়কগুলোর এমন দুরবস্থা হয়েছে।

শ্রীরামপুরের সাবেক ইউপি সদস্য মো. ফোরকান আলী মৃধা জানান, বৃষ্টিতে হাঁটু পরিমাণ কাদার রাস্তায় ট্রাক্টর চালানোর ফলে রাস্তার অস্তিত্ব নষ্ট হয়েছে।

মুরাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাফর উল্লাহ বলেন, মাটির রাস্তা বর্ষায় ক্ষতি হবে এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। তবে গত বছরের মাত্রাতিরিক্ত ভারী বৃষ্টি আর জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার গ্রামীণ রাস্তার অস্বাভাবিক ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কাঁচা রাস্তা মেরামতে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। শিঘ্রই রাস্তা মেরামতের কাজে হাত দেওয়া হবে।

আংগারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান আহম্মেদ হাওলাদার জানান, বিষয়টি উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন কমিটির সভায় তোলা হয়েছে। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো শিঘ্রই জনচলাচলের দুর্ভোগ বিবেচনায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কারের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করা হবে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান সিকদার বলেন, বরাদ্দ স্বল্পতার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও রাস্তাগুলো মেরামত করা সম্ভব হয়নি। আগামীতে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামোর কাঁচা, আধা পাকা ও পাকা রাস্তাগুলো সংস্কার খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দের চেষ্টা করা হচ্ছে। কাঙ্ক্ষিত বরাদ্দ এলে অগ্রাধিকার বিবেচনায় উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।