কচুয়ায় লাল সালু আবৃত করে ভুয়া মাজার তৈরি এলাকায় তোলপাড়

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:৩৩

কচুয়ার চক্রা গ্রামে লাল সালু আবৃত ভুয়া মাজার তৈরি করে এক দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতারণা করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।  প্রায় দুই মাস আগে ওই গ্রামের মৃত টুকু মিয়ার ছেলে আ. মমিন খন্দকার, তার ২য় স্ত্রী রোকেয়া বেগম চক্রা গ্রামের বেনুচো নতুন বাড়িতে ঘরের সম্মুখে দু’টি নতুন কবর তৈরি করে চারদিকে লালসালু আবৃত করে কয়েকটি ছবি টানিয়ে দেন। এ সংবাদ  এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ লোকজনের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

ওই গ্রামের আনোয়ার হোসেন, আহসান হাবীব, সোহেল, আবু হানিফ, রফিক, ফরহাদ হোসেনসহ একাধিক লোকজন জানান, এই স্থানে পূর্বে কোনো মাজার কিংবা কবর ছিল না। আ. মমিন খন্দকার তার ২য় স্ত্রী রোকয়ো বেগমের প্ররোচনায় গত ২৯ নভেম্বর রাতে কিছু অতি উত্সাহী লোকের সহায়তায় তার ঘরের সামনে মাটি দিয়ে দুটি নতুন কবর তৈরি করে মাজার হয়েছে বলে প্রচার চালায়। এটি এলাকার সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য কবরের মতো তৈরি করেছে বলে এলাকাবাসী দাবি করেন। আশরাফপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ এলাহী সুবাস জানান, চক্রা গ্রামে মাজার উঠার বিষয়ে আমার জানা নেই।

রোকেয়া বেগম মুঠোফোনে জানান, আমার স্বামী আ. মমিন ও আমি ফরিদপুরের আটরশির মুরিদ (ভক্ত)। আমার স্বামী আ. মমিন খন্দকার কচুয়া-ঢাকা সড়কের সুরমা বাসের সুপারভাইজার। আমরা নারায়ণগঞ্জে বসবাস করি।  আমি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মাজারে যাই। আমাকে স্বপ্নে দেখানোর ফলে আমি এটিকে মাজার হিসেবে গড়ে তুলি। তবে কোন ধরনের প্রতারণার উদ্দেশ্যে তা করিনি।

কচুয়া থানার ওসি মো. আতাউর রহমান ভূঁইয়া বলেন, চক্রা গ্রামে মাজার গড়ে উঠার বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে এখানে কোন প্রতারণা হয় কিনা তা খোঁজ-খবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।