ক্যারিয়ার শুরু হোক মাধ্যমিক থেকে

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:৩৬

মোজাহেদুল ইসলাম

প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় পাস করে বের হয়। পরীক্ষা শেষ মানেই মাথায় চাপে ক্যারিয়ার ভূত! কারণ নিজের পছন্দমতো পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে এসএসসি পরীক্ষার  পর থেকেই নীলনকশা কষতে হবে।

ক্যারিয়ার পছন্দের কারণ ও সম্ভাবনা : অনেকে হয়ত ভাবছেন আমি সাংবাদিকতা কিংবা ব্যাংকিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ব কিন্তু এই ক্যারিয়ারে যেতে চাইলে আপনার করণীয় কি কিংবা এই বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ক্যারিয়ারের সম্ভাবনাই বা কতটুকু তা অনেকেরই জানা নেই। তাহলে চলুন এবার জেনে নেয়া যাক-

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হতে চাইলে:

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশে উত্পাদিত বস্ত্রের চাহিদা ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে। আর সেই অনুপাতে গার্মেন্টসের সংখ্যাও বাড়ছে। বাড়ছে বায়িং হাউসও। বর্তমানে বায়িং হাউসগুলোতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কারণ এখনকার বায়িং হাউসগুলো হয়ে গেছে প্রযুক্তিনির্ভর। আর প্রযুক্তিগতভাবে সুতা তৈরি। কাপড় তৈরি। কাপড়ে রং করা ও পোশাক তৈরিই হলো টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারের কাজ। এই কাজগুলো আবার ৪টি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যেতে পারে। ইয়ার্ন ম্যানুফ্যাকচারিং, ফ্রেবিক ম্যানুফ্যাকচারিং, ওয়েট প্রসেসিং ও গার্মেন্টস ম্যানফ্যাকচারিং। বর্তমানে শুধুমাত্র বায়িং হাউসগুলো ছাড়াও উইবিং, নিটিং, ডাইং, ফিনিশিংয়ের কারখানাগুলোতেও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই পেশায় আপনাকে ক্যারিয়ার গড়তে হলে অবশ্যই স্বীকৃত কোন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেক্সটাইলের ওপর স্নাতক সম্পন্ন করতে হবে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণও নিতে পারেন।

হতে চাইলে স্মার্ট ব্যাংকার :সময়ের স্মার্ট পেশা ব্যাংকিং। সরকারি ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি দেশে বেসরকারি ব্যাংকের সংখ্যা ক্রমবর্ধমানহারে বাড়ছে। সেই তুলনায় বাড়ছে ব্যাংকগুলোর সেবার মান। নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পেশা হিসেবে অনেকেই ব্যাংকিংকে প্রথম পছন্দে রাখেন। তবে আপনাকে এই পেশায় সফল হতে হলে অবশ্যই সদালাপী, মিশুক হতে হবে। ব্যাংকিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে আপনাকে অবশ্যই একাউন্টিং, ফিন্যান্সের ওপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক সম্পন্ন করতে পারেন। পাশাপাশি প্রাইভেট ভার্সিটিগুলোতেও এই সাবজেক্টগুলোতে পড়তে পারেন।

পেশা যখন আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং :ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্টের নকশার কাজটা মূলত আর্কিটেক্টরা করে থাকেন। সবমিলিয়ে দেশে অবকাঠামো উন্নয়নে আর্কিটেক্টদের জুড়ি মেলা ভার। চাইলে আপনিও একজন প্রকৌশলী হিসেবে দেশ গড়ার অংশীদার হতে পারেন আর এই জন্য আপনাকে এইচএসসি শেষ করেই সরকারী পলিটেকনিকগুলোতে বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।