উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টির ফলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। রংপুরের কাউনিয়ায় নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের গ্রামগুলোতে পানি প্রবেশ করেছে। উপজেলার ঢুসমারা ও বিশ্বনাথসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের শতশত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আর এতে গবাদি পশু নিয়ে চরম বিপদে আছে নদী তীরবর্তী এলাকার দুর্গত মানুষরা।
সরেজমিনে বিভিন্ন চরাঞ্চল ঘুরে দেখ গেছে, গত রবিবার রাত থেকে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বুধবার বিকালে তিস্তা রেল সেতু পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। এতে করে উপজেলার ঢুষমারা, গোপিডাঙ্গা, পাঞ্জরভাঙ্গা, চরগদাই, পূর্ব নিজপাড়া, তালুক শাহাবাজ, হরিচর শর্মা, চর গনাই, গনাই, হয়বতরখাঁ, আজমখাঁ, টাপুর চর, বিশ্বনাথ, প্রাননাথ চরের নদীর পানি প্রবেশসহ বেশ কিছু ফসলি জমি ক্ষতি হয়েছে। এতে করে পানিবন্দি পরিবারগুলো গবাদি পশুর খাদ্য সংকটসহ চরম বিপাকে পড়েছে।
উপজেলার দ্বীপ অঞ্চল নামে খ্যাত ঢুষমারা চরের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম ও কোব্বাত মিয়া জানান, তিন-দফা বন্যায় ও নদী ভাঙনে তারা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: কথিত জ্বিনের বাদশা রাউজান থেকে গ্রেফতার
টেপামধুপুর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি জানান, তার ইউনিয়নে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বেশ কয়েকটি প্রামে পানি প্রবেশ করেছে।
বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আনছার আলী জানান, গত কয়েক দিনে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি পেতে থাকলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিতে পারে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. উলফৎ আরা বেগম জানান, নদীর পানি বৃদ্ধির কথা শুনেছি। এছাড়া আমরা সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
ইত্তেফাক/এএএম
