ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজি গুইন্যাম্পের কাছে হেরে কোপ দে লা লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিয়েছে। নেইমারের গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষদিকে দুটি পেনাল্টি গোল হজম করে বিদায় নেয়ার পেছনে খেলোয়াড়দের অতি আত্মবিশ্বাসকেই দায়ী করলেন দলের কোচ থমাস টুখেল।
নিজেদের মাঠ পার্ক দেস প্রিন্সেসে বুধবার রাতে শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসেছিল পিএসজি। কিন্তু গুইন্যাম্পের জমাট রক্ষণ ভেদ করতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন নেইমার- এডিনসন কাভানিরা।
গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ৬২তম মিনিটে নেইমারের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল পিএসজি। ৮১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ইয়েনি গবাকোতো গোল করলে অগ্রগামিতা হারায় পিএসজি। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে আবারো পেনাল্টি পায় সফরকারী গুইন্যাম্প। সেখান থেকে মার্কাস থুরাম গোল করলে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় টুখেলের শিষ্যদের। লিগ ওয়ানের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে থাকা পিএসজির চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটা দ্বিতীয় হার।
মৌসুমের শুরুটা দারুণ ছন্দে থেকে শুরু করেছিল পিএসজি। লিগের প্রথম ১৭ ম্যাচের ১৫টিতেই জয়লাভ করে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে অনেকটাই এগিয়ে গেছে প্যারিসীয়রা। ফ্রেঞ্চ কাপের ম্যাচে পঁভিতিকে ৪-০ গোলে হারিয়ে এই ম্যাচে পা রেখেছিল পিএসজি। দলে হঠাত্ ছন্দপতনে ভীষণ হতাশ পিএসজি কোচ।
এই পরাজয়ের পেছনে দলের অতি আত্মবিশ্বাসকেই দুষলেন টুখেল। বলেন, ‘আমি জানি না, এটা আমাদের প্রাপ্য কি না। আমরা অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম। সত্যি কথা বলতে আমরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছি। আর তাই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের জন্য।’
এই ম্যাচে পিএসজির বিপক্ষে তিনটি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দিয়েছেন রেফারি। যা কিছুটা অস্বাভাবিক ঠেকছে পিএসজি কোচের কাছে। টুখেলের ভাষায়, ‘তিন পেনাল্টি দিয়ে ম্যাচ হারা খুব কঠিন ব্যাপার। এটা কিছুটা অস্বাভাবিকও বটে।’
সাবেক বরুসিয়া ডর্টমুন্ড কোচ ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আঙুল তুললেন দ্বিতীয় পেনাল্টিটির সিদ্ধান্তের দিকে। উল্লেখ্য, এই পেনাল্টি থেকেই সমতায় ফিরেছিল সফরকারী গুইন্যাম্প। তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয়টি বেশ সন্দেহজনকই ছিল। ওখানে প্রায় কিছুই ঘটেনি, দুইজন খেলোয়াড়ের মধ্যে সাধারণ একটা সংঘর্ষ ছিল। তারা আমাদের বক্সে ঢুকেছে মোটে তিনবার এবং তিনটি পেনাল্টি জিতেছে।’
আগামী শনিবার লিগ ওয়ানে পয়েন্ট তালিকায় ১৭তম স্থানে থাকা আমিয়েঁর মাঠে খেলতে যাবে শিরোপাধারীরা।
