অর্থ ও মানব পাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার বাংলাদেশি সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম ওরফে কাজী পাপুলের বিচার শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল-ওসমানের অপরাধ আদালতে এই বিচার শুরু হয়।
কুয়েতের ইংরেজি সংবাদ মাধ্যম আরব টাইমসের অনলাইনে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে, ১ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। পাপুলের পক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু আদালত আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে রাখার আদেশ দিয়েছে।
লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পাপুলকে গত ৬ জুন কুয়েতের মুশরিফ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সময় তার প্রতিষ্ঠানের একজন হিসাবরক্ষকসহ আরো কয়েক জনকেও গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ দেওয়া, অর্থ পাচার, মানব পাচার এবং ভিসার অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বসবাসের অনুমতির অবৈধ লেনদেনের ব্যাপারে কুয়েতের সরকার অভিযান শুরু করার পর এই গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে। কুয়েতের আইন অনুযায়ী, নাগরিকরা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশিদের স্পন্সর করতে পারেন এই শর্তে যে, তারা তাদের জন্য কাজ করবেন। তবে নিজেদের প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার ইচ্ছা না থাকলেও অনেকে বিদেশি শ্রমিকদের কাফালা বা বসবাসের অনুমতি দেওয়ার নামে ব্যবসা করে থাকেন। এর ফলে বিদেশি শ্রমিকরা কুয়েতে কাজ খুঁজতে আসেন, কিন্তু মূল স্পন্সরের কাছে তাদের দায়বদ্ধতা থেকেই যায়।
পাপুলের সঙ্গে অভিযুক্ত হিসাবে রয়েছেন কুয়েতের দুইজন সংসদ সদস্য সাদুন হাম্মাদ আল-ওতাইবি ও সালাহ আবদুলরেদা খুরশিদ। তবে এই দুইজনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছেন এমপি পাপুল।
ইত্তেফাক/ইউবি
