কিছু মানুষ নিজের কর্মের জন্য বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। আবার অনেকেই সৃষ্টিকর্তার আশীবার্দে পরিচিত! তেমনই একজন বাহাদুর। বাড়ি নেপালের উর্লাবারি শহরের উপকণ্ঠে। পেশায় স্কুলের বাস চালক। তাকে দেখে অবাক হওয়ার মতো কিছুই নেই। আর দশটা দোহাতি নেপালির মতোই সাধারণ তিনি। তবে এই মানুষটি যখন তার জিহ্বা বের করেন তখন সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন। কারণ জিহ্বা দিয়ে আমরা যেখানে আমাদের ঠোঁটের ওপরের অংশ ছুঁতে হিমশিম খাই সেখানে বাহাদুর দিব্যি তার জিহ্বা কপাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জিভের স্বাভাবিক আকৃতি ১০ সেন্টিমিটার। যা দিয়ে কোনোভাবেই কপাল তো দূরের কথা নাকও ছোঁয়া সম্ভব না। বাহাদুরের দাবি, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জিহ্বার অধিকারী তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, খুব শিগগির তিনি গিনেজ বুকে নাম লেখাবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে বাহাদুর রীতিমতো তারকা বনে গেলেও এই জিহ্বা নিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে খুব বেশি সুখি নন তিনি। কারণ এই জিহ্বা দেখে অনেকেই ভড়কে যান। বিশেষ করে বাচ্চারা! ফলে কর্মক্ষেত্রে বা জনসম্মুখে তিনি জিহ্বা দেখাতে খুব একটা স্বস্তিবোধ করেন না।
