ট্রেজারি বা তারল্য ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করে ব্যাংকের সক্ষমতা। সঠিক ব্যবস্থাপনায় ব্যাংক মুনাফা করতে পারে। আবার দুর্বলতায় ক্ষতি হতে পারে ব্যাংকের। বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা অটোমেশন বাড়ছে। অটোমেশনে গ্রাহকের প্রচুর অতিরিক্ত তথ্য যোগ হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ তথ্যগুলো ভালো ঋণ নির্বাচনে সহায়তা করবে। কমে আসবে খারাপ ঋণের পরিমাণ।
‘ট্রেজারি অপারেশনস অব ব্যাংকস’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে এমন মন্তব্য করেছেন ব্যাংক খাতের বিশেষজ্ঞরা। প্রতি বছর ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম রিভিউ নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করে থাকে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)। করোনা মহামারিতে অনলাইন মাধ্যমে ওয়েবিনারটির আয়োজন করে গতকাল।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি এইচএসবিসি ব্যাংকের হেড অব গ্লোবাল মার্কেট বাশার এম তারেক, ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক মঈনুদ্দিন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী হোসেন প্রধানিয়া, ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী, বিআইবিএমের ড. মুজাফফার আহমেদ চেয়ার অধ্যাপক বরকত-ই খুদা। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিব।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, ব্যাংকের ট্রেজারি বা সম্পদ ব্যবস্থাপনা যদিও ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়; কিন্তু এতে আমাদের সবাই মিলে কাজ করতে হয়। এরসঙ্গে সব ব্যাংককর্মী সম্পৃক্ত। ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা, সম্পদের আকার ও ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী হতে হয়। ট্রেজারি ব্যবস্থাপনায় এখন মুনাফা অর্জন করা সম্ভব; কিন্তু অসতর্কতায় ক্ষতিও হতে পারে। ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীকেও এ বিষয়ে তীক্ষ্ন নজর রাখতে হয়। আমাদের ব্যাংক খাতে হলমার্কসহ যত ঋণ কেলেঙ্কারি ঘটেছে তা কিন্তু ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে না হওয়ায়। ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী হয়তো মনে করেছেন এ বিষয়টি সঠিকভাবেই চলছে।
