স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
রাজশাহীর মহানগরীর অটোরিকশা চালক জসিম উদ্দিন জয়কে গোদাগাড়ীতে নিয়ে খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) শাহ্ মখদুম জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) হেমায়েত উল্লাহ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। ডিসি জানান, অটোচালক জয়কে তার কাছের বন্ধু জসিম নিজেই ধারালো ছুরি দিয়ে জবাই করে। এ সময় অপর এক বন্ধু সুমন তাকে সহযোগিতা করে।
ডিসি আরও জানান, নিহত অটোরিকশা চালক জসিম গত ৭ জানুয়ারি সকালে বাড়ি থেকে অটো নিয়ে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরদিন ৮ জানুয়ারি জয়ের চাচাতো মামা শাহ্ মখদুম থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এ ঘটনা তদন্তে শাহ্ মখদুম থানা পুলিশ জানতে পারে, মামলার ১নং আসামি শেখপাড়া বড়বন গ্রামের জসিম উদ্দিন এবং ২ নং আসামি গোদাগাড়ী থানার মাটিকাটা গ্রামের সুমন আলী গত ৭ জানুয়ারি নওদাপাড়া বাস টার্মিনালের সামনে থেকে জয়কে অপহরণ করে। এপর তাকে গোদাগাড়ী থানার জলাহার গ্রামের কার্বের মোড়ের দক্ষিণ পাশে জনৈক শফিকুল হাজির পুকুর পাড়ের জঙ্গলে নিয়ে ৩নং আসামি মাটিকাটা গ্রামের মরিফুলের ছেলে রাজিব আলীর সহায়তায় ওইদিন সন্ধ্যার জবাই করে হত্যার পর লাশ পুকুর পাড়ে লুকিয়ে রাখে। এরপর তারা জয়ের অটোরিকশাটি জসিমের দুলাভাইয়ের বাড়ি নাটোরের আহমদপুরে লুকিয়ে রাখে। পুলিশ জসিম ও সুমনকে আটক করে ঘটনাস্থল থেকে জয়ের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে। পরদিন ঘটনাস্থলের পাশ থেকে জবাইয়ের কাজে ব্যবহূত রক্তমাখা ছুরি ও জামাকাপড় উদ্ধার এবং ৩নং আসামি রাজিবকে গ্রেফতার করে। ১০ জানুয়ারি আসামিদের নিয়ে নাটোরে অভিযান চালিয়ে অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়।
