ক’দিন বাদেই বাঙালির শারোদৎসব। প্রতিবছর সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে শারদীয় দুর্গাপূজা। কিন্তু এ বছর করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কিছুটা ভাটা পড়বে বলে মনে করছে প্রতিমা তৈরির কারিগররা। সঙ্গত কারণে এ বছর প্রতিমা তৈরির কাজও শুরু হয়েছে কিছুটা দেরিতে। একই সঙ্গে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যবহৃত খড়, বাঁশ ও অন্য উপকরণগুরোর দাম বেড়ে ফি বছরের তুলনায় এ বছর খরচও বেশি পড়ছে। এর প্রভাব পড়েছে প্রতিমার দামেও।
শুক্রবার সকালে উপজেলার ভদ্রঘাট পালপাড়ায় প্রতিমার কারিগরদের ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। বাঁশ, কাঠ, খরের পর চলছে মাটির প্রলেপ। কিছুদিন পর প্রতিমায় দেওয়া হবে রঙ তুলির আঁচর।
কারিগর শ্রীকান্ত পাল জানান, প্রতি বছর দুর্গা পূজার ৪/৫ মাস আগে থেকে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করি। তবে এবার করোনার কারণে পরিস্থিতি অনেকটা আলাদা। শেষের দিকে কিছু প্রতিমা তৈরির অর্ডার পেয়েছি। কিন্তু এতো কম সময়ে এগুলো তৈরিক করে সরবরাহ করতে হিমশিম খাচ্চি।
পলান চন্দ্র পাল জানান, উপকরণগুলোর দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতিমা তৈরিতে খরচ বেড়েছে। এদিকে ক্রেতারা দাম খুবটা বেশি বলছেন না। প্রতিমা তৈরির পর বিক্রি করতে না পারলে লোকসান গুনতে হবে।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শিশির কুমার সাহা, ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের ২৬টি বিধিমালা হাতে পেয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ২৫টি পূজা মন্ডপে পূজা হবে। পূজাকে উৎসবমুখর করতে নানা প্রস্তুতিও চলছে।
ইত্তেফাক/এসি
