সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীর নিকট থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ মামলার আরো দুই আসামিকে হবিগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন ছাত্রলীগ নেতা শাহ মাহবুবুর রহমান রনি (২৫) ও রবিউল ইসলাম (২৫)।
জানা যায়, গত রবিবার রাতে র্যাব-৯ এর একটি দল হবিগঞ্জ শহরের অনন্তপুর এলাকার এক আইনজীবীর বাসা থেকে শাহ মাহবুবুর রহমান রনিকে আটক করে। সে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বাগুনিপাড়া গ্রামের শাহ জাহাঙ্গীরের পুত্র। র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে রবিবার বিকেলে র্যাব সদস্যরা রনির গ্রামের বাড়িতেও অভিযান চালান। এ সময় রনির ঘর তালাবদ্ধ ছিল। মামলার এজাহার নামীয় অপর আসামি রবিউল ইসলাম নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় গত রবিবার রাত সাড়ে ৯টায় হবিগঞ্জ গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।
রবিউল সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের বড়নগদী গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের পুত্র। তাদের দুজনকেই সিলেটে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এ দুজনকে নিয়ে গণধর্ষণ মামলায় হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আটক আসামির সংখ্যা তিন জনে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত রবিবার ভোরে মাধবপুর উপজেলার মনতলা ইউনিয়নের সীমান্তঘেষা দুর্লভপুর গ্রাম থেকে মামলার অন্যতম আসামি অর্জুন লস্করকে (২৬) সিলেট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে আটক করে। অর্জুন সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার আটগ্রামের কানু লস্করের পুত্র।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, সে মাধবপুর উপজেলার মনতলা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। উল্লেখ্য গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় গত শনিবার সিলেটের শাহ পরান থানায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতা গৃহবধূর স্বামী। মামলা দায়েরের পর আসামিদের গ্রেফতারের ব্যাপারে তৎপর হয়ে উঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ইত্তেফাক/আরকেজি
