জেলার সুবর্ণচর উপজেলার মধ্যবাগ্গায় স্বামী ও সন্তানদের বেঁধে রেখে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত জামাল ওরফে হেনজু মাঝিকে (২৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সকালে তাকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে মধ্যবাগ্গার চান মিয়ার ছেলে।
জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ইলিয়াছ শরীফ বিষয়টি নিশ্চত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত হেনজু মাঝি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে ভুক্তভোগী ওই নারী ও অন্য আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার পর হেনজু মাঝি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাত্রীবাহী বাসে চালকের সহকারীর কাজ নেয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। এ নিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত ৯ আসামির মধ্যে ৬ আসামিসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা যায়, গত রবিবার রিমান্ডে নেয়া সাত আসামির মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করলেও অপর তিন আসামি ঘটনার মূলহোতা বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন ও তার সহযোগী পরিকল্পনকারী হাছান আলী ভুলু ও বাদশা আলম বাসুকে গত পাঁচদিন ধরে পুলিশ ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেও স্বীকারোক্তি আদায় করতে পারেনি। মামলার এজাহারভুক্ত ২নং আসামি হানিফ, ৪নং আসামি চৌধুরী ও ৮নং আসামি মোশারফ এখনো পলাতক রয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ডিবির ওসি আবুল খায়ের জানান, পাঁচদিন রিমান্ডকৃত তিন আসামির রিমান্ডের সময় শেষ হলে গতকাল তাদের আদালতে হাজির করা হয় এবং পুনরায় আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আদালত এ ব্যাপারে পরবর্তীতে আদেশ প্রদান করবেন। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
