নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক গার্মেন্টস শ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার ভোরে উপজেলার খাদুন এলাকার দানিস মিয়ার বাড়ির বালুর মাঠে ঘটে এ ঘটনা। এ ঘটনায় ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বাদী নির্যাতিত ওই গার্মেন্ট কর্মী জানান, তিনি বরপা এলাকার ডেইজি সুয়েটার কারখানার একজন শ্রমিক। গত বৃহস্পতিবার রাতে ডিউটি ছিল তার। কারখানায় কাজ শেষ করে শুক্রবার ভোরে খাদুন এলাকায় ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন তিনি। এ সময় খাদুন এলাকার বালুর মাঠে পৌঁছামাত্রই ওই এলাকার মহসিনের ছেলে সুমন, ইমরানের ছেলে হাসিব ও আলাউদ্দিনের ছেলে নাহিদ তার মুখ ও হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে নির্জন স্থানে নিয়ে দুইজনের সহযোগিতায় একজন তাকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে নির্যাতিত ওই নারীর আর্তচিত্কার শুনে স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সুমন, হাসিব ও নাহিদসহ তাদের লোকজন এলাকায় ছিনতাই, ডাকাতি, সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছে। এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। তাদের প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন থাকায় এলাকাবাসী প্রতিবাদ করার সাহসটুকুও পায় না। এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল হক বলেন, ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
যুবককে লাঠিপেটা
রূপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা ওয়াসিম নামে এক যুবকের উপর হামলা করে লাঠিপেটা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার টেকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবক ওয়াসিম জানান, কাঞ্চন বাড়ৈ এলাকার নবী হোসেন, ছানী, পিয়ার আলীদের সঙ্গে তার পূর্ব থেকে বিরোধ চলে আসছে। সেই বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে ওয়াসিম কাঞ্চন বাজার হতে ব্যবসায়িক কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে টেকপাড়ায় পৌঁছামাত্র হামলাকারীরা তার পথরোধ করে তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তার চিত্কারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত ওয়াসিমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। এ ব্যাপারে আহত ব্যবসায়ী ওয়াসিম রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। রূপগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হক জানান, বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
