রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে অর্ধশত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তবে গতকাল রাত ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পল্টন থানায় এ ঘটনায় কোনো মামলা নথিভুক্ত হয়নি। গ্রেফতারের ব্যাপারে পুলিশ বলছে, বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের উপর হামলা এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের যে দৃশ্য গণমাধ্যমকর্মীদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে, তা দেখে জড়িতদের আটক করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া ইত্তেফাককে বলেছেন, নয়াপল্টনের ঘটনায় জড়িত দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করতে পুলিশ বিভিন্ন টেলিভিশন ও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছে। সেই ছবি দেখে দেখে দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে পুলিশ গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে। গতকাল রাত পর্যন্ত চিহ্নিত এমন ৫০ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ দিকে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গতরাতে পুলিশ নির্বিচারে তাদের নেতাকর্মীকে আটক করেছে। বিএনপি সূত্র থেকে জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আনিসুজ্জামান, খুলনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ারুল হক রয়েল, নেত্রকোনা জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ মুন্না, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন আনিসুর রহমান, নেত্রকোনা জেলা ছাত্রদল সভাপতি ফরিদ হোসেন বাবু, জেলা ছাত্রদল নেতা রাকিব আল মান্নান (পিংকি), ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক জাকির ও ছাত্রনেতা মাইনুল হাসান মোহন, ফাহিম হাসান সুমনসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
