কমিউনিস্ট বেইজিংয়ের সম্প্রসারণবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষীদের প্রতিরোধ ও তাদের কর্মকাণ্ডকে প্রতিহত করতে এশিয়াভিত্তিক সামরিক জোট বা 'এশিয়ান ন্যাটো'র প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় কর্মকর্তারা। চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক ক্ষমতা এবং আক্রমণাত্মক বৈদেশিক নীতি তাদের এই আলোচনা ও কার্যক্রমকে আরও তরান্বিত করছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে দেশগুলোর মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের পরিস্থিতি সামাল দেবার ক্ষেত্রে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (স্যাটো) তেমন কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে না পারলেও, বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হিসেবে চীনের আত্মপ্রকাশের পর সে ধারণা বহুলাংশে পাল্টে গেছে।
এশিয়ায় ন্যাটো বাহিনী প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ন্যাটোর মহাসচিব জনস স্টোলেনবার্গ বলেন, এটা বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্যকে পরিবর্তন করার মতোই, যা ন্যাটোকে 'আরও বৈশ্বিক হয়ে উঠতে' সাহায্য করবে।
তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ইতোমধ্যে এক রকম চুপিসারেই এই পথে অনেকটা এগিয়েছে ট্রাম্প সরকার। দেশটির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা স্টিফেন ই. বেগানের পরামর্শ মতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে যে ধরনের প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে, এর আলোকে এই জোট থেকেই 'এশিয়ান ন্যাটো'র সূচনা হবে বলা যেতে পারে।
গত ৩১ অগাস্ট ভারত-যুক্তরাষ্ট্র স্ট্রাটেজিক ডায়ালগের অংশ হিসেবে স্টিফেন ই. বেগান বলেন, এটা ট্রাম্প সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে কিংবা নতুন প্রেসিডেন্টের প্রথম মেয়াদে প্রত্যক্ষ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে যাচ্ছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
