(কবিবন্ধু দীপ মুখোপাধ্যায়কে)
সবুজ পাতার গাঢ় দীপ্তি নিয়ে ভালোবাসা তুমি মিশে আছো
ভোরের প্রথম রৌদ্রে যেরকম কুয়াশায় পরিতৃপ্ত ঘাস
অবিরাম ক্লোরোফিলে ঐশ্বর্যের তৃপ্তি নিয়ে বাঁচো।
আমি তো নিঃসঙ্গপ্রেমী রুক্ষতার ধুধুচরে স্বপ্নে চাষবাস।
দূরে থেকে মুগ্ধ আমি যেন ভাসমান নীল একখণ্ড মেঘ
তোমার প্রভার পাশে আলোর প্রত্যাশী ভেসে চলি
তুমি তো স্পন্দিত ছন্দ : বুকভরা স্বপ্নময় দুর্দান্ত আবেগ
তোমাকে রেখেছে ঘিরে বর্ণিল আনন্দ-দীপাবলি।
জলপ্রপাতের ধ্বনি-তরঙ্গে বহতা তুমি ছন্দোময় গতি
বয়ে যাচ্ছো আনমনে, আমি তো নির্জন বনভূমি।
তবু কেন লতাগুল্মে এতটা গুরুত্ব দিয়ে ক্ষতি
মেনে নিচ্ছো উপেক্ষার! নিজেকে দেখো না হাতি তুমি!
অমল রৌদ্রের বিভা ঝরছে নদীর জলে, দেখো
নীরিহ নৌকোটি দূরে ভেসে যাচ্ছে আনমনে একা
আমি সেই রৌদ্রজলে তোমাকে দেখেছি, মনে রেখো
ভালোবাসা চিরকাল অভেদ সাম্যের কাব্যলেখা।
কে কাকে উপেক্ষা করে জ্যোত্স্না আর রৌদ্র পরস্পর
একই কেন্দ্র উত্স যদি তা হলে যা খুঁত আছে থাক অগোচর।
