বর্তমান ও সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ও ইতালি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বড় ব্যবধানের জয়ই তুলে নিয়েছে। করোনাজর্জর ইউক্রেনকে ৭-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ফরাসিরা। আর ইতালি ৬-০ গোলে হারিয়েছে মলদোভাকে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আর পর্তুগালকে তাদেরই মাঠে গোলশূন্য ড্রয়ে বাধ্য করেছে স্পেন। দিনের অন্য ম্যাচে তুরস্কও জার্মানিকে ৩-৩ গোলে রুখে দিয়েছে।
ফরাসিদের জয়ের ম্যাচে শততমবারের মতো জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন ফরোয়ার্ড অলিভিয়ের জিরু। সেজন্যই কোচ দিদিয়ের দেশ্যম অধিনায়কের বাহুবন্ধনীটা দিয়েছিলেন চেলসি ফরোয়ার্ডকে। তার প্রতিদানটাও দারুণভাবেই দেন জিরু। প্রথমার্ধেই করেন জোড়া গোল। চলে এসেছেন ফ্রান্সের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড থেকে নয় গোলের দূরত্বে।
চেলসি ফরোয়ার্ডের গোলের পর কিলিয়ান এমবাপে, কোরেন্তিন তোলিসো আর আন্তনিও গ্রিজমানের লক্ষ্যভেদ ফরাসিদের পাইয়ে দিয়েছে বড় জয়। একই রাতে স্টেফান এল শারাওয়ির জোড়া গোলে মলদোভার বিপক্ষে ৬-০ গোলের জয় পেয়েছে ইতালিও।
তবে একই রাতে স্পেন-পর্তুগাল রোমাঞ্চ ছড়ালেও ড্রয়েই বাধ্য হয়েছে। ম্যাচের দখল স্পেনের থাকলেও গোলের সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল পর্তুগালেরই। রোনালদো আর রেনাতো সানচেজের দুটো শট প্রতিহত হয়েছে প্রতিপক্ষ পোস্টে, শেষ মুহূর্তে হোয়াও ফেলিক্সের শটও হয়েছে লক্ষ্যভ্রষ্ট।
স্পেন কোচ লুইস এনরিকে ম্যাচশেষে নিজেদেরই এগিয়ে রাখলেন প্রতিপক্ষ থেকে। বললেন, ‘আমরা পর্তুগাল থেকে শ্রেয়তর দল ছিলাম। তারা প্রতি আক্রমণে দুটো শট নিয়েছিল, যার একটা পোস্টে লেগেছে আরেকটা কেপা বাঁচিয়েছে। কিন্তু সুযোগ আমরাও পেয়েছি।’
তবে রোমাঞ্চের চূড়ান্ত দেখেছে জার্মানি-তুরস্ক ম্যাচ। কোচ জোয়াকিম লোর দল তিন তিনবার এগিয়ে গেলেও জয় নিয়ে ফিরতে দেয়নি সফরকারী তুর্কিরা। ম্যাচের পরে তাই হতাশ জার্মান কোচ, ‘আমি হতাশ। বেশ কিছুদিন ধরেই এ সমস্যা হচ্ছে আমাদের। অন্য ম্যাচেও এমনটা হয়েছে।’
তবে নেদারল্যান্ডস মেক্সিকোর বিপক্ষে হেরেই গেছে। ৬০ মিনিটে সফরকারী ম্যাক্সিকোর একমাত্র গোলটি করেন রাউল হিমেনেজ।
