বন্দরের মদনপুরে গ্রামবাসী ও পুলিশের সংঘর্ষ আহত ২০

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:২৭

বন্দরের মদনপুরের চানপুরে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে গ্রামবাসীর সাথে পুলিশের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে ব্যাপক ধাওয়া পাল্টা ধাওয়াসহ কয়েক রাউন্ড গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে পুলিশের এসআই মো: আলীসহ ৭ পুলিশ ও নারীসহ ২০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সংঘর্ষের সময় এলাকাবাসী পুলিশের দু’টি গাড়ি ভাঙচুর করে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাতে ওয়ারেন্টভুক্ত বিভিন্ন মামলার আসামি বন্দর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা টেঁটা, বল্লম, বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এলাকায় ডাকাত আক্রমণ করেছে বলে তাত্ক্ষণিক মসজিদের মাইকে জানিয়ে দেয়া হলে স্থানীয়রা পুলিশের উপর আক্রমণ চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা ফাঁকা গুলি ছুড়লে এতে পুলিশের সাথে স্থানীয়দের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলি বিনিময় হয় এবং স্থানীয়রা পুলিশের ২টি গাড়ি ব্যাপকভাবে ভাঙচুর করে। এতে ঘটনাস্থলে ৭ পুলিশ সদস্য, ১ সাংবাদিক ও স্থানীয় ১২ জনসহ ২০ জন আহত হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে খবর পেয়ে রাতেই অতিরিক্ত ৩ প্লাটুন পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ১ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি আজহারুল ইসলাম গুলি ছোড়ার কথা স্বীকার করে বলেন, এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। গতকাল পুনরায় উত্তেজনা দেখা দিলে সেখানে পুলিশ যাওয়ার পর তাদের উপর হামলা চালানো হয়। এতে পুলিশসহ একাধিক ব্যক্তি আহত হয়। পরিস্থিতি এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ জানান, আসামি ধরতে গিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি পুলিশ আহত ও গুলিবর্ষণের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে। আসামি গ্রেফতারে পুলিশি তল্লাশী চলছে।