পাকুন্দিয়ায় গৃহবধূকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ  

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২০, ১৫:৩১

পূর্ব শত্রুতার জেরে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌর এলাকায় সেলিনা নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার পৌরসভার টান লক্ষীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে চারজনকে অভিযুক্ত করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আহত সেলিনার স্বামী হানিফ মীর। সেলিনার বাড়ি পাকুন্দিয়া পৌরসভার টান লক্ষীয়া গ্রামে। গুরুতর আহত সেলিনা বর্তমানে কিশোরগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অভিযুক্তরা হলেন-পাকুন্দিয়া পৌর এলাকার টান লক্ষীয়া গ্রামের মৃত সোহরাব উদ্দিনের পুত্র রতন ও রফিকুল ইসলাম এবং রতন মিয়ার পুত্র রনি ও রফিকুল ইসলামের পুত্র রবিন। 

আরও পড়ুন: স্কুলে করোনা ভয়াবহ আকারে ছড়ায় না!

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন হানিফ মীরের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী সেলিনাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকে। সেলিনা এর প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। এ সময় রফিকুল ইসলামের হুকুমে প্রতিপক্ষ রতন এসএস পাইপ দিয়ে সেলিনার মুখে আঘাত করে। এতে সেলিনা গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয় এবং তার ঠোঁট কেটে নিচের পাটির দাঁত ভেঙ্গে যায়। তার ডাকচিৎকারে স্বামী হানিফ মীর এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাথাড়ি পিটিয়ে জখম করে। এ সময় রতন সেলিনাকে টেনে-হেঁচড়ে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। পাশে থাকা রনি সেলিনার গলা থেকে এক ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়। তাদের ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। পরে সেলিনাকে উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেলিনার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কিশোরগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। 

হানিফ মীর ইত্তেফাককে বলেন, অভিযুক্তরা সম্পর্কে আমার চাচাত ভাই ও ভাতিজা। রতন ও রনি খারাপ প্রকৃতির লোক। তারা এলাকার চিহ্নিত নেশাখোর। চুরি, ছিনতাই করা তাদের একমাত্র পেশা। অন্যায়ভাবে তারা আমার স্ত্রী ও আমাকে পিটিয়েছে। আমি এর ন্যায় বিচার চাই। 

পাকুন্দিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সারোয়ার জাহান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইত্তেফাককে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ইত্তেফাক/এএএম