পরেশ ঢুলি যাত্রাদলে ঢোল বাজাতো জানি
পূজার সময় তাকে নিয়ে বেজায় টানাটানি!
ঢোলের নাকি বোলও আছে টাক ডুমা ডুম ডুম
পরেশ ঢুলি ঢোল বাজালে রয় না চোখে ঘুম।
ঘুম পালাবে ঢোলের তালে, খেলেও ঘুমের বড়ি
এইতো সেদিন বায়না করে এলেন নরহরি।
পরেশ ঢুলি ঢোল বাজাবে—চাট্টি কথা নয়
এমন দিনের অপেক্ষাতে সবাই চেয়ে রয়!
পূজার দিনে কেমন কথা—নেই পরেশের খবর
বাবু বলেন, ওই পাজিটার বাড় বেড়েছে জবর!
পরেশ ঢুলি যাক না চুলায়, নেই প্রয়োজন তার
আমিও পারি ঢোল বাজাতে, অনেক চমত্কার!
আচ্ছা করে ঢোল বাজাবো, আন তো হাতের মোজা
ঢোল বাজানো নয় তো কঠিন, এক্কেবারে সোজা!
ঘর থেকে যেই ঢোলটা এনে, দিলেন জোরে ঠোকা
ঢোল থেকে হায় বের হলো প্রায় তিনশো তেলাপোকা!
একটা বাবুর উঠলো মাথায়, দুইটা বাবুর গালে
তবুও বাবু ঢোল বাজাবেন তিড়িং-বিড়িং ফালে!
ওসব দেখে পূজার বাড়ি পড়লো হাসির রোল
বউ-ঝিরা সব বললো বাবুর, মাথায় গণ্ডগোল!
