যমুনেশ্বরী ও চিকলী নদীর ভাঙন

তারাগঞ্জে শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীনের ঝুঁকিতে

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২০, ২১:২৫

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনেশ্বরী ও চিকলী নদীর ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে নদী তীরবর্তী শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের মধুরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের অনেক পরিবারের ঘরবাড়ি নদীভাঙনের মুখে পড়েছে। জানা যায়, নদী তীরবর্তী পরিবারগুলোর বসতভিটা, ঘরবাড়ি, গাছপালা, খেতের ফসল, রাস্তাঘাট যমুনেশ্বরী, চিকলী ও খারুভাজ নদীর ভাঙনে প্রতিবছরই বিলীন হচ্ছে। ভিটেমাটি হারিয়ে প্রতিবছর পথে বসছে বেশ কিছু পরিবার। ভাঙছে উপজেলার ঘনিরামপুর, সাতনালা, হিন্দুপাড়া, ডাঙাপাড়া, রহিমাপুর, জয়বাংলা থেকে শুরু করে উপজেলার শেষ সীমানা কাশিয়াবাড়িঘাট পর্যন্ত। আর চিকলী নদীর তীরবর্তী চিকলীপাড়া গ্রামটিও নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাওয়ার পথে। স্থানীয় বাসিন্দারে অভিযোগ, নদীভাঙনের প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রতি বছর বর্ষায় নতুন করে আবাদী জমি ঘরবাড়ি, দালানসহ সহায়-সম্পদ হারিয়ে দিন দিন মানুষ ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। উপজেলার নদীর তীরবর্তী গ্রামের পরিবারগুলো নদীতে দ্রুত বাঁধ নির্মাণের দাবি জানায়। সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল রায় মোবাইলফোনে জানান, যমুনেশ্বরী ও চিকলী নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। নদীভাঙনে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর বিষয়ে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।