যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামে তিন রাস্তার মোড়ে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এরা হলেন যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জয়ন্তা গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে মোটরসাইকেলচালক বাদল ও তার চাচাতো ভাই একই এলাকার নিকমালের ছেলে আহাদ। বাদল ইন্টারনেট সংযোগ লাইনের কর্মী ছিলেন। আহাদ (২৩) পেশায় একজন কৃষক। এরা দুই জন চাচাতো ভাই। ঘটনাস্থলে তাদের মোটরসাইকেলটি পড়ে ছিল।
ঘটনাস্থলের পাশের বাড়ির বাসিন্দা নাসির বিশ্বাস জানান, সন্ধ্যায় রক্তাক্ত এক ব্যক্তি দৌড়ে এসে বাঁচান বাঁচান বলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। পরে আরো এক জনের লাশ রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। নিহতদের স্বজনরা জানান, সন্ধ্যার পরে বাদলের মোবাইলে একটি কল এলে তারা দুই জন মোটরসাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর ধারণা, মোটরসাইকেলটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাদের হত্যা করা হয়। তবে লোকজন এসে পড়লে ছিনতাইকারীরা মোটরসাইকেলটি ফেলে পালিয়ে যায়। মণিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, তাদের গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যা করা হয়। তবে হত্যার কারণ জানা যায়নি। দুর্বৃত্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে লাকসাম (কুমিল্লা) সংবাদদাতা জানান, লাকসামে কলেজ ছাত্র মো. নাহিদুল ইসলাম সায়েম (২২) হত্যা মামলার দুই আসামি মাইনুল ইসলাম প্রকাশ লিংকন পাটোয়ারী (২৬) ও তার ছোট ভাই লিপনকে (২০) ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা ডিবি পুলিশের একটি দল। গতকাল তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, রাজধানীর উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। চাঁদপুর পুরাতন বাজার ডিগ্রি কলেজের ছাত্র সায়েমকে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ৪ জুলাই কুপিয়ে আহত করা হয়। ৮ জুলাই সায়েমের মৃত্যু হয়।
