নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র চৌমুহনীতে ২৮টি সরকারি পুকুর থাকলেও দখলের কবলে পড়ে অধিকাংশ পুকুরের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বাকিগুলোও দখলের কবলে রয়েছে। এমন অবস্থায় শহরে যদি বড় কোনো অগ্নিকাণ্ড ঘটে, তা নিভানোর জন্য পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থাও থাকবে না।
চৌমুহনী শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ২৮টি বড় ও মাঝারি সরকারি পুকুর রয়েছে। চৌমুহনী শহরের বড় মসজিদ সংলগ্ন পুকুর, সিনেমা হল সংলগ্ন পুকুর, করিমপুর, কুরী পাড়া ও রাম ঠাকুর মন্দির সংলগ্ন পুকুরসহ বেশ কয়েকটি সরকারি পুকুর দখলদারদের কবলে পড়ে অস্বিত্ব প্রায় বিলীনের পথে। শহরের যে সৌন্দর্য ও পরিবেশ ছিল তা এখন আর নেই। অধিকাংশ পুকুরের বেশিরভাগ দখলের পর ভরাট করে দোকানপাট, বাড়িঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে চৌমুহনী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই জানান, এক শ্রেণির দখলবাজ দখল বাণিজ্যের প্রতিযোগিতা চালাচ্ছে।
দখলদারদের মধ্যে কয়েকজন জানান, তারা বন্দোবস্ত নিয়েছেন। একসনা বন্দোবস্তে অবকাঠামো নির্মাণ করা যায় না—জানালে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
চৌমুহনী পৌর ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিন জানান, সরকারি পুকুরগুলো যদি সংস্কার করা যায় তাহলে একদিকে শহরের পরিবেশ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে, অপরদিকে বাত্সরিক ইজারা দিয়ে সরকারি তহবিলে বিপুল অর্থ জমা হবে। বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মোস্তফা জাবেদ কায়সার জানান, এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত দেবে, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
