শালিখা (মাগুরা) সংবাদদাতা
শালিখা উপজেলার ভাটোয়াইল গ্রামের মৃতপূর্ণ চন্দ্র মিত্রর পুত্র বিষ্ণুপদ মিত্র স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধার স্বীকৃতি পাননি। মা, বোন, স্ত্রী, কন্যাসহ আট সদস্যের সংসারে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ৭১ এ বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ভারতের গোপালনগর টালীখোলা মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং ক্যাম্প থেকে ১৫ দিনের অস্ত্র ট্রেনিং নিয়ে দেশে ফিরে আসেন এবং মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। তালখড়ীর রাজাকার লালমিয়া তার দলবল নিয়ে তাকে আটক করে মারতে মারতে আড়পাড়া ডাক বাংলো রাজাকারদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়। তার উপর চালনো হয় পাশবিক নির্যাতন। তাকে বঁটি দিয়ে গলা কেটে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার জন্য জল্লাদরা নদীর তীরে নিয়ে যায়। এ সময় ক্যাম্পে কর্মরত তার এক আত্মীয় ধনু প্রমাণিক রাজাকারের কমান্ডারের কাছ থেকে তার প্রাণভিক্ষা স্বরূপ তাকে মুক্তি দেয়। সে মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার অপরাধে রাজাকাররা তার বাড়ি ভেঙে নিয়ে যায়। ঐ সময় ট্রাংকে থাকা তার ট্রেনিংয়ের সনদটিও তারা নিয়ে যায়। বর্তমানে সে সরকারের কাছে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চায়।
