পাউবোর প্রধান প্রকৌশলীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আটটি সেচ পাম্প কিনে সাড়ে ৩৪ কোটি টাকা আত্মসাত্

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২০, ২২:৪০

মনু নদের সেচ প্রকল্পের আওতাধীন কাশিমপুর পাম্প হাউজ পুনর্বাসন প্রকল্পের আটটি পাম্প কিনে প্রায় সাড়ে ৩৪ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। এর প্রমাণ পাওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) যান্ত্রিক সরঞ্জাম বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী চৌধুরী নজমুল আলম এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিগমা ইঞ্জিনিয়ার্সের এমডি-চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। গতকাল বুধবার দুদকের হবিগঞ্জ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দুদকের উপসহকারী পরিচালক সহিদুর রহমান মামলাটি দায়ের করেন।

প্রকৌশলী চৌধুরী নজমুল আলম ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন—পাউবোর পাবনা পওর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও সাবেক প্রকল্প পরিচালক এস এম শহিদুল ইসলাম, ঢাকা যান্ত্রিক (পাম্প হাউজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনিছুর রহমান, ঢাকার কেন্দ্রীয় যান্ত্রিক সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু তালেব, ঢাকা যান্ত্রিক (পাম্প হাউজ) বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এম গোলাম সরওয়ার, পাউবোর নকশা সার্কেল-৩ ( যান্ত্রিক )-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্বাছ আলী, ডিজাইন সার্কেল-১ ঢাকার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল বাছিত ও চাঁদপুর যান্ত্রিক উপ-বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রুহুল আমিন, সিগমা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সৈয়দ             মোহাম্মদ কামাল, চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সৈয়দ আরশেদ রেজা এবং জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী আব্দুস সালাম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা একে অপরের সহায়তায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে মৌলভীবাজারের মনু নদের সেচ প্রকল্পের আওতাধীন কাশিমপুর পাম্প হাউজ পুনর্বাসন প্রকল্পের জন্য প্রকৃত দামের চেয়ে বেশিতে পাম্প ক্রয় করেন। যেখানে সরকারের ৩৪ কোটি ৪২ লাখ ১৭ হাজার ১৯৬ টাকা আত্মসাত্ হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বসানো আটটি পাম্পের প্রকৃত মূল্য পাওয়া যায় ২০ কোটি ৪১ লাখ ৭ হাজার ৬০৩ টাকা। যেখানে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে ৫৪ কোটি ৮৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৯৯ টাকা।