ইত্তেফাক রিপোর্ট
খাদ্যে ভেজাল প্রমাণিত হলে জরিমানার পাশাপাশি কারাদণ্ড প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। গতকাল রবিবার ধানমন্ডি এলাকায় ডিএসসিসির পক্ষ থেকে খাদ্যে ভেজালবিরোধী স্পেশাল ক্র্যাশ প্রোগ্রামের উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা বিভিন্ন সময় জরিমানা করলেও ভেজাল বন্ধ করতে সক্ষম হইনি। তাই আমরা কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে খাদ্যে ভেজাল প্রমাণিত বা প্রতীয়মান হলে জেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করবো, সেটা প্রতীকী হলেও করবো।
এ সময় মেয়রের সঙ্গে কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেখ মো. সালাহউদ্দিনসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মেয়র সাঈদ আরও বলেন, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে বিভিন্ন সংস্থা অভিযানে নেমেছে। আমরাও নিয়মিত কাজ অব্যাহত রেখেছি। এরপরেও ভেজাল বন্ধ হয়নি। তাই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি। এখন কোনো প্রতিষ্ঠানের খাবারে ভেজাল প্রমাণিত হলে তাকে জেলা পঠানো হবে। সেটা অল্প সময়ের জন্য হলেও তাকে জেলে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আর্থিক জরিমানাটা খুব বেশি সুফল বয়ে আনছে না উল্লেখ করে মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, অবস্থার উন্নতিকল্পে আমরা ধীরে ধীরে আরও কঠোর হতে চাই। খাদ্যে ভেজাল কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
পরে মেয়র ধানমন্ডিস্থ স্টার কাবাবের দোকানে ঢুকে তাদের খাবারের মান যাচাই করেন। ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩৯ ধারায় পাঁচ হাজার টাকা, সাত মসজিদ রোডে অবস্থিত সুলতান ডাইনে অভিযান চালিয়ে নিরাপদ খাদ্য আইনের ৪১ ধারায় এক লাখ টাকা এবং বিবি কিউকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
