(কথাশিল্পী রশীদ হায়দার স্মরণে)
এভাবেই প্রিয় মুখগুলো নিঃসঙ্গতায় ফেলে রেখে— দূরে—
আরও দূরে— ওই কাকের কর্কশ ডাকের গোধুম
গোধূলি ছেড়ে শুধুই উড়ে আর উড়ে রাত্রির সাথে মিশে স্মৃতি হয়ে রয়।
কেন চলে যায়? কেন বেঁধে রাখে? কেনই বা ফেলে রেখে—
কয়েক ফোঁটা ঘোলা আর নোনা জল হয়ে— কোন দেশে?
কোন কোন পলিসিতে? দিক ভুল করে শুধুই বেমালুম আটপায়ে হেঁটে চলে—
বেঁধে রেখে যায়। অথচ অনন্ত জীবনের স্বাদ পেতে কত যে রসিক
খেয়া পারাপারে রসের ভাণ্ডারে চুমুক দিয়ে কত যে রস পান করে!
আমরা খুঁজে ফিরি তাদের আটের-প্রহরে। কাছে না পেয়ে— তাদের
ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে রাখা বীজ আর সোনাফলা ফসলের কাছে
হাঁটু গেড়ে বসি— পাই নিশ্বাস! পাই জীবনের সাধ আর সাধনার জীবন পিয়াস!
তবুও জমিনের ধার! তাদের বেদনার টুকরোগুলো সোনার টুকরো হয়ে
ঝলমল বেগে— প্রেম আর মায়া দিয়ে যায়—
বোধ আর চেতনার রোদ্দুর ডানায়।
বেদনার ঘন কালো নীল রং মেখে— ধীরে— আরও ধীরে—
ভালোবাসার পাখনায় ডানা মেলে গভীর শ্রদ্ধা জানাই— ঘোর অবসাদে।
