অনন্যার যুদ্ধজয়ের গল্প

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২০, ২১:০৯

 

সম্প্রতি ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা ২০১৯’ প্রদান করা হয়। প্রাণঘাতী করোনা

ভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের কারণে অনলাইনে লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বরাবরের মতো এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা দেওয়া হয়। যারা পাহাড়সম প্রতিকূলতা ঠেলে নিজের জীবনে সফল হয়ে সমাজের নারীর অবস্থান দৃঢ় করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন তাদের একজন শ্রীমতি সাহা। তার জীবনযুদ্ধের খানিকটা জানাতে এই আয়োজন—

শ্রীমতি সাহা, সমাজসেবা

প্রবাদপ্রতিম দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহার একমাত্র পুত্রবধূ শ্রীমতি সাহা। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত হন শ্রীমতির স্বামী-শ্বশুর। বিশাল কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট হয়ে পড়ে অভিভাবকশূন্য। চরম এ দুঃসময়ে রণদাপ্রসাদ সাহার ছোট মেয়ে জয়াপতি কুমুদিনীর হাল ধরেন। কুমুদিনীর যোগ্য করে গড়ে তুলতে জয়াপতি ভাতৃবধূ শ্রীমতিকে নতুন করে পড়াশোনায় নিযুক্ত করেন। ১৯৮৩ সালে শ্রমজীবী মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের অনন্য প্রতিষ্ঠান কুমুদিনী হ্যান্ডিক্রাফটের পরিচালনায় নিজেকে সম্পৃৃক্ত করেন শ্রীমতি। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠান প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২৬ হাজার শ্রমজীবী নারীর আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। নারী শিক্ষা, দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান, সমাজ থেকে কুসংস্কার দূর করাসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা রণদাপ্রসাদ সাহার মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে চলেছেন তার পুত্রবধূ।