আমার অগণন অসহায়ত্বই তোমার পল্লবিত পুঁজির সূতিকাগার।
সে তুমিও যেমন ভালো করে জানো,
আমারও তা উপলব্ধি না করে উপায় নেই।
তুমি রোজ সে পুঁজি খাটাও, বিরামহীন, বিশ্রামহীন। আমি রোজ অসহায় থেকে অসহায়তর হই।
পরিস্থিতি এমন, পিঠ দেয়ালে ঠেকেছে—না বলে বলতে হবে, শরীরটাই দেয়ালে ঢুকে গেছে।
আমাকে সারিয়ে তুলতে নীল আর হোয়াংহো আসে রোজ রাতে—অলিন্দ আর নিলয় জুড়ে।
অদৃশ্য বন্দরে চলে আমার ডায়ালাইসিস, ফল্গুর ধারাপাতে।
কঠোর সেনাটহল আর লকডাউনের ভয়ে তারাও দৌড়ে পালায় শিগগির, বৈকাল হ্রদের প্রান্ত ঘেঁষে।
আমি আবারও নিষ্পেষিত হই লালফৌজের হাজার ডিগ্রি তাপের নিষ্প্রেম কাচগলা উনুনে।
অথবা আমি হই তোমার সার্কাসের ভালুক।
আমি শিখি নাগরিক প্রেমবাদ, পুঁজিবাদ আর পেষণবাদের স্বরে অ, স্বরে আ।
