শৈলকুপায় চাষির ঘরে এখনো পেঁয়াজ আছে

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২০, ২১:৩৭

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা জেলায় অনেক চাষির ঘরে পেঁয়াজ আছে। অনেক চাষি দাম বাড়ার আশায় অল্প অল্প করে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। এ পেঁয়াজ শনি ও মঙ্গলবার শৈলকুপা এবং রবি ও বৃহস্পতিবার লাঙ্গলবাঁধ হাটে বিক্রি করা হচ্ছে। এই পেঁয়াজ মুড়িকাটি পেঁয়াজ না ওঠা পর্যন্ত বাজারে থাকবে। অপরদিকে পেঁয়াজ চাষ শুরু হয়েছে। তবে চাষিদের আশঙ্কা বীজের উচ্চ মূল্য ও অভাবের জন্য চাষ ব্যাহত হবে। শৈলকুপা বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মশিয়ার রহমান জানান, চাষির হাতে এখনো অনেক পেঁয়াজ  আছে। শনি ও মঙ্গলবার শৈলকুপা হাটে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার মণ পেঁয়াজ উঠছে। লাঙ্গলবাঁধ হাটে ২ হাজার মণ পেঁয়াজ উঠছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ব্যাপারিরা এ পেঁয়াজ কিনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রাকযোগে চালান নিয়ে যাচ্ছেন।

শৈলকুপা উপজেলার খন্দকবাড়িয়া গ্রামের চাষি আব্দুল আজিজ মিয়া জানান, গত মৌসুমে ১৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেন। ১ হাজার মণের বেশি পেঁয়াজ হয়েছিল। এখনো ২০০ মণ পেঁয়াজ আছে। তাদের গ্রামে চাষির ঘরে ২ হাজার মণের বেশি পেঁয়াজ আছে। হাজারামিনা গ্রামের চাষি দুলাল হোসেন বলেন, গত মৌসুমে তার প্রায় ৫০০ মণ পেঁয়াজ উত্পাদন হয়েছিল। এখনো ১০০ মণ পেঁয়াজ আছে।  বিজুলিয়া গ্রামের চাষি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত বছরের  প্রায় ২০ মণ পেঁয়াজ ঘরে আছে। তিনি জানান, এবার পেঁয়াজ বীজের অভাব ও দাম চড়া। তিনি অভিযোগ করেন, ডিএপি সার (বাংলা) প্রতি ব্যাগ ৮০০ টাকার স্থলে ১ হাজার ৪০০ টাকা করে নিচ্ছে ডিলাররা। আর বিদেশি ডিএপির দাম নিচ্ছে প্রতি ব্যাগ সাড়ে ৮০০ টাকা করে। এদিকে পেঁয়াজ চাষ শুরু হয়ে গেছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজ রোপণ শেষ হয়েছে। ভাতি পেঁয়াজের বীজতলা তৈরির কাজ চলছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস জানান, চলতি মৌসুমে ঝিনাইদহ জেলায় সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। চাষিরা আগাম চাষ শুরু করেছে।