সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ও শাহজাদপুর সংবাদদাতা
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের জালালপুর ইউনিয়নে খালের ওপর নির্মিত ঘাটাবাড়ী ব্রিজের রূপসী-পাকুরতলা সড়কের দুই পাশে সংযোগ সড়ক নেই। আর তাই মই বেয়ে উঠতে হয় ব্রিজে। এতে চলাচলকারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
দুই বছর আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ব্রিজটি সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় জালালপুর ইউনিয়নের জালালপুর, ঘাটাবাড়ী, পাকুরতলা, বাঐখোলা ও কুঠিরপাড়া গ্রামের লোকজন প্রতিদিন মই বেয়ে ব্রিজটি পাড় হচ্ছেন। পাকুরতলা গ্রামের দেরাজ মোল্লা, আব্দুল হামিদ, দুলাল শেখ, তয়জাল মোল্লা, জালালপুর গ্রামের আসাদ আলী, আতিক হাসান, রহম আলীসহ অনেকেই জানান, দুই বছর ধরে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও স্কুলগামী শিশুদের যাতায়াতে বেশি কষ্ট হচ্ছে। তারা আরো বলেন, ব্রিজটি নির্মাণের পর সামান্য মাটি ফেলা হয়। ফলে বর্ষার শুরুতেই তা ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এরপর গত দুই বছর ধরে স্থানীয় এলাকাবাসী ব্রিজের দুই পাশে মই তৈরি করে পাড়াপাড়ের ব্যবস্থা করে। তারা জানান, দুই বছর ধরে এ ব্রিজে সংযোগ সড়ক না থাকায় এ সড়ক দিয়ে সরাসরি কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। ধান, চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পরিবহনে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তাদের দাবি, অবিলম্বে ব্রিজের দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণের।
জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বলেন, ব্রিজটি নির্মাণের পর মাটি ভরাট করা হয়েছিল। কিন্তু বন্যার পানির চাপে সরে গেছে। ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পানি সরে গেলে আবারও মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করা হবে। শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ব্রিজটি নির্মাণের পর মাটি ভরাট করা হয়েছিল। কিন্তু বন্যার পানির তীব্র চাপে ভেঙে গেছে। পানি সরে গেলে মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করা হবে।
