সৈয়দপুরে বাজারে শীতকালীন সবজি এলেও দাম চড়া

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২০, ২২:১৭

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

সৈয়দপুরের বাজারে শীতের নতুন সবজি আসা শুরু করেছে। তবে সবজির দামের উত্তাপ কমেনি। নতুন সবজির দাম ছাড়াও অন্যান্য সবজি চড়া দরেই বিক্রি হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলের বৃহত্ পাইকারি বাজার সৈয়দপুর পৌর কাঁচা সবজি বাজার। বাজারে বিভিন্ন প্রকারের শীতকালীন সবজির সমাহার। বেশি দাম পেয়ে চাষিরা খুশি হলেও দামের আঁচে সাধারণের নাভিশ্বাস উঠেছে। তারা জানান, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করা হচ্ছে সবজি। সরকারি নির্দেশনা না মেনে বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু। অন্য দিকে স্বস্তি মিলছে না পেঁয়াজ আর কাঁচামরিচেও। কাঁচামরিচ কেজি হচ্ছে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। আর পেঁয়াজ কেজি ৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। টম্যাটো, গাজর, শিম, বেগুন, বরবটি, শসা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। বেগুনও ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পটোলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে কাঁকরোল, ধুন্দল আর কচুর লতি। লাউয়ের পিস বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বাজারে আসা শীতের আগাম সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে শুধু মুলা ও পেঁপে। এর মধ্যে মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা আর পেঁপে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়।

সৈয়দপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক শিউলী বেগম বলেন, সবজির দাম অনেক বেশি। পাইকারি বাজার আর এখানের দামের মধ্যে অন্তত ১৫-২০ টাকা পার্থক্য। আধা কেজি করলা কিনলাম ৬৫ টাকা দিয়ে। ইচ্ছামত দাম নেওয়া হচ্ছে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহিনা বেগম জানান,  সৈয়দপুরে চলতি রবি মৌসুমে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২২ হেক্টর ও উত্পাদন ১১ হাজার ৪৮৫ মেট্রিক টন। উত্পাদিত এ সবজির সিংহভাগ চলে যায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। এসব সবজির মধ্যে রয়েছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, টম্যাটো, বেগুন, মুলা, গাজর, পালংশাক, লালশাক, সবুজশাক, লাউ, শিম, মিষ্টিকুমড়া, গাজর, ধনিয়া, করলা, পাতিলেবু ও কাঁচা মরিচ। বাজারে সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদী।